জ্ঞান | নারীদের পেলভিক ব্যথা: অ্যাডনেক্সাল টেন্ডারনেসের উপসর্গ ও কারণ
অ্যাডনেক্সাল টেন্ডারনেস হলো নারীর পেলভিক অঞ্চলে ডিম্বাশয়, ফ্যালোপিয়ান টিউব এবং প্রজনন অঙ্গকে সমর্থনকারী লিগামেন্টের মতো গঠনগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যথা। প্রজনন, মূত্রনালি বা পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যাসহ এর অনেক কারণ থাকতে পারে।
উপসর্গ
অ্যাডনেক্সাল টেন্ডারনেস নিজে কোনো রোগনির্ণয় নয়, বরং অন্তর্নিহিত সমস্যার একটি উপসর্গ। রোগী তলপেটের এক বা উভয় পাশে ব্যথা অনুভব করতে পারেন। ব্যথা তীক্ষ্ণ বা মৃদু, মাঝে মাঝে বা অবিরাম হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে নড়াচড়া, যৌনমিলন বা মলত্যাগে ব্যথা বাড়তে পারে; ব্যথা মৃদু থেকে তীব্র হতে পারে।
সম্ভাব্য কারণ
অ্যাডনেক্সাল টেন্ডারনেসের অনেক সম্ভাব্য কারণ রয়েছে, যেমন:
প্রজননতন্ত্রের সমস্যা: জরায়ুর বাইরে নিষিক্ত ডিম্বাণু স্থাপিত হওয়া একটোপিক প্রেগন্যান্সি; গর্ভপাত; এন্ডোমেট্রিওসিস; ডিম্বাশয় বা ফ্যালোপিয়ান টিউবের সিস্ট; পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ; এবং যৌনবাহিত সংক্রমণ।
অন্যান্য সমস্যা: অ্যাপেন্ডিসাইটিস, ডাইভার্টিকুলাইটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং কিডনিতে পাথর।
রোগনির্ণয়
অ্যাডনেক্সাল টেন্ডারনেসের অনেক সম্ভাব্য কারণ থাকায় ব্যথার উৎস শনাক্ত করতে চিকিৎসক বিস্তারিত চিকিৎসা-ইতিহাস নেবেন এবং শারীরিক পরীক্ষা করবেন, যার মধ্যে সাধারণত পেলভিক পরীক্ষাও থাকে। অতিরিক্ত পরীক্ষার মধ্যে থাকতে পারে:
ল্যাবরেটরি পরীক্ষা: রক্ত ও মূত্র পরীক্ষা, গর্ভধারণ পরীক্ষা এবং যৌনবাহিত সংক্রমণের স্ক্রিনিং।
ইমেজিং: এক্স-রে, আল্ট্রাসাউন্ড বা CT স্ক্যান।
চিকিৎসা
অ্যাডনেক্সাল টেন্ডারনেসের অন্তর্নিহিত কারণের ওপর চিকিৎসা নির্ভর করে। বিকল্পগুলোর মধ্যে থাকতে পারে:
ওষুধ: সংক্রমণের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক বা ব্যথা নিয়ন্ত্রণে ব্যথানাশক।
অস্ত্রোপচার: অ্যাপেন্ডিসাইটিস বা একটোপিক প্রেগন্যান্সির মতো জরুরি অবস্থায় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।
অ্যাডনেক্সাল টেন্ডারনেসের উপসর্গ থাকলে কারণ নির্ধারণ ও উপযুক্ত চিকিৎসার জন্য দ্রুত চিকিৎসা নিন।
জ্ঞান | নারীদের পেলভিক ব্যথা: অ্যাডনেক্সাল টেন্ডারনেসের উপসর্গ ও কারণ
জ্ঞান | নারীদের পেলভিক ব্যথা: অ্যাডনেক্সাল টেন্ডারনেসের উপসর্গ ও কারণ
অ্যাডনেক্সাল টেন্ডারনেস হলো নারীর পেলভিক অঞ্চলে ডিম্বাশয়, ফ্যালোপিয়ান টিউব এবং প্রজনন অঙ্গকে সমর্থনকারী লিগামেন্টের মতো গঠনগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যথা। প্রজনন, মূত্রনালি বা পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যাসহ এর অনেক কারণ থাকতে পারে।
উপসর্গ
অ্যাডনেক্সাল টেন্ডারনেস নিজে কোনো রোগনির্ণয় নয়, বরং অন্তর্নিহিত সমস্যার একটি উপসর্গ। রোগী তলপেটের এক বা উভয় পাশে ব্যথা অনুভব করতে পারেন। ব্যথা তীক্ষ্ণ বা মৃদু, মাঝে মাঝে বা অবিরাম হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে নড়াচড়া, যৌনমিলন বা মলত্যাগে ব্যথা বাড়তে পারে; ব্যথা মৃদু থেকে তীব্র হতে পারে।
সম্ভাব্য কারণ
অ্যাডনেক্সাল টেন্ডারনেসের অনেক সম্ভাব্য কারণ রয়েছে, যেমন:
প্রজননতন্ত্রের সমস্যা: জরায়ুর বাইরে নিষিক্ত ডিম্বাণু স্থাপিত হওয়া একটোপিক প্রেগন্যান্সি; গর্ভপাত; এন্ডোমেট্রিওসিস; ডিম্বাশয় বা ফ্যালোপিয়ান টিউবের সিস্ট; পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ; এবং যৌনবাহিত সংক্রমণ।
অন্যান্য সমস্যা: অ্যাপেন্ডিসাইটিস, ডাইভার্টিকুলাইটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং কিডনিতে পাথর।
রোগনির্ণয়
অ্যাডনেক্সাল টেন্ডারনেসের অনেক সম্ভাব্য কারণ থাকায় ব্যথার উৎস শনাক্ত করতে চিকিৎসক বিস্তারিত চিকিৎসা-ইতিহাস নেবেন এবং শারীরিক পরীক্ষা করবেন, যার মধ্যে সাধারণত পেলভিক পরীক্ষাও থাকে। অতিরিক্ত পরীক্ষার মধ্যে থাকতে পারে:
ল্যাবরেটরি পরীক্ষা: রক্ত ও মূত্র পরীক্ষা, গর্ভধারণ পরীক্ষা এবং যৌনবাহিত সংক্রমণের স্ক্রিনিং।
ইমেজিং: এক্স-রে, আল্ট্রাসাউন্ড বা CT স্ক্যান।
চিকিৎসা
অ্যাডনেক্সাল টেন্ডারনেসের অন্তর্নিহিত কারণের ওপর চিকিৎসা নির্ভর করে। বিকল্পগুলোর মধ্যে থাকতে পারে:
ওষুধ: সংক্রমণের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক বা ব্যথা নিয়ন্ত্রণে ব্যথানাশক।
অস্ত্রোপচার: অ্যাপেন্ডিসাইটিস বা একটোপিক প্রেগন্যান্সির মতো জরুরি অবস্থায় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।
অ্যাডনেক্সাল টেন্ডারনেসের উপসর্গ থাকলে কারণ নির্ধারণ ও উপযুক্ত চিকিৎসার জন্য দ্রুত চিকিৎসা নিন।
প্রতিবেদনের উৎস:
অনলাইন থেকে সংগৃহীত