জ্ঞান | জরায়ুর আল্ট্রাসাউন্ড কি জরুরি? সোনোহিস্টেরোগ্রাফি ও এর উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করছেন চিকিৎসক
মেনোপজের পর রক্তপাত, বারবার গর্ভপাত বা গর্ভধারণে অসুবিধা থাকলে চিকিৎসক সোনোহিস্টেরোগ্রাফি নামের বিশেষ ধরনের জরায়ুর আল্ট্রাসাউন্ড করার পরামর্শ দিতে পারেন। সাধারণ ট্রান্সভ্যাজাইনাল আল্ট্রাসাউন্ডের তুলনায় এটি জরায়ুর ভেতরের আরও স্পষ্ট ছবি দেয়।
Traci C. Johnson, MD-এর পর্যালোচিত চিকিৎসা-তথ্য অনুযায়ী, সোনোহিস্টেরোগ্রাফির মাধ্যমে এমন সমস্যা শনাক্ত করা যায় যা সাধারণ আল্ট্রাসাউন্ডে ধরা নাও পড়তে পারে। এর মধ্যে রয়েছে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, ফাইব্রয়েড, পলিপ, ক্ষতচিহ্নের টিস্যু এবং জরায়ুর গহ্বরের অস্বাভাবিকতা, যেমন সেপ্টেট জরায়ু।
পরীক্ষাটি কীভাবে করা হয়?
প্রথমে চিকিৎসক একটি সরু আল্ট্রাসাউন্ড প্রোব বা ট্রান্সডিউসার যোনিপথে প্রবেশ করিয়ে জরায়ুর ছবি তোলেন।
এরপর প্রোবটি বের করে একটি স্পেকুলাম দিয়ে আলতোভাবে যোনিপথ খুলে জরায়ুমুখ দেখা হয়। জরায়ুতে একটি সরু ক্যাথেটার প্রবেশ করানো হয় এবং স্পেকুলামটি বের করে নেওয়ার পরও সেটি সেখানে থাকে।
ক্যাথেটারের মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত স্যালাইন দেওয়ার সময় আল্ট্রাসাউন্ড প্রোবটি আবার প্রবেশ করানো হয়, ফলে জরায়ু সামান্য প্রসারিত হয়। এতে অস্বস্তি বা হালকা মুচড়ে ধরা ব্যথা হতে পারে।
তরল প্রবেশের সময় চিকিৎসক জরায়ু ও এন্ডোমেট্রিয়াম পর্যবেক্ষণ করেন। প্রক্রিয়াটি প্রায় 15 থেকে 30 মিনিট সময় নেয়।
আমার কি এই পরীক্ষা দরকার?
আপনার শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেবেন। মাসিক চলাকালে বা গর্ভাবস্থায় এই পরীক্ষা করা যায় না। সাধারণত আগে একটি গর্ভধারণ পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
ফলাফলের অর্থ কী?
স্বাভাবিক ফলাফলের অর্থ হলো জরায়ুর আকৃতি স্বাভাবিক এবং কোনো অস্বাভাবিক টিস্যু পাওয়া যায়নি।
অস্বাভাবিক ফলাফলে ফাইব্রয়েড, পলিপ, ক্ষতচিহ্নের টিস্যু বা জরায়ুর কোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়তে পারে। পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে চিকিৎসক আলোচনা করবেন।
এরপর কী হয়?
বেশিরভাগ মানুষ নিজেই গাড়ি চালিয়ে বাড়ি যেতে পারেন। হালকা মুচড়ে ধরা ব্যথা, অল্প রক্তপাত বা পানির মতো স্রাব কয়েক দিন থাকতে পারে। সংক্রমণের ঝুঁকি খুব কম হলেও কিছু চিকিৎসক কয়েক দিন যোনিপথে কোনো কিছু প্রবেশ করানো, যেমন যৌনমিলন বা ট্যাম্পন ব্যবহার, এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন।
নিচের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন:
100.4°F-এর বেশি তাপমাত্রা (প্রায় 38°C)
দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব
অতিরিক্ত রক্তপাত
ওষুধের দোকানে পাওয়া ব্যথানাশকে না কমা তীব্র ব্যথা
জ্ঞান | জরায়ুর আল্ট্রাসাউন্ড কি প্রয়োজনীয়? চিকিৎসক ব্যাখ্যা করছেন সোনোহিস্টেরোগ্রাফি ও এর উদ্দেশ্য
জ্ঞান | জরায়ুর আল্ট্রাসাউন্ড কি জরুরি? সোনোহিস্টেরোগ্রাফি ও এর উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করছেন চিকিৎসক
মেনোপজের পর রক্তপাত, বারবার গর্ভপাত বা গর্ভধারণে অসুবিধা থাকলে চিকিৎসক সোনোহিস্টেরোগ্রাফি নামের বিশেষ ধরনের জরায়ুর আল্ট্রাসাউন্ড করার পরামর্শ দিতে পারেন। সাধারণ ট্রান্সভ্যাজাইনাল আল্ট্রাসাউন্ডের তুলনায় এটি জরায়ুর ভেতরের আরও স্পষ্ট ছবি দেয়।
Traci C. Johnson, MD-এর পর্যালোচিত চিকিৎসা-তথ্য অনুযায়ী, সোনোহিস্টেরোগ্রাফির মাধ্যমে এমন সমস্যা শনাক্ত করা যায় যা সাধারণ আল্ট্রাসাউন্ডে ধরা নাও পড়তে পারে। এর মধ্যে রয়েছে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, ফাইব্রয়েড, পলিপ, ক্ষতচিহ্নের টিস্যু এবং জরায়ুর গহ্বরের অস্বাভাবিকতা, যেমন সেপ্টেট জরায়ু।
পরীক্ষাটি কীভাবে করা হয়?
প্রথমে চিকিৎসক একটি সরু আল্ট্রাসাউন্ড প্রোব বা ট্রান্সডিউসার যোনিপথে প্রবেশ করিয়ে জরায়ুর ছবি তোলেন।
এরপর প্রোবটি বের করে একটি স্পেকুলাম দিয়ে আলতোভাবে যোনিপথ খুলে জরায়ুমুখ দেখা হয়। জরায়ুতে একটি সরু ক্যাথেটার প্রবেশ করানো হয় এবং স্পেকুলামটি বের করে নেওয়ার পরও সেটি সেখানে থাকে।
ক্যাথেটারের মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত স্যালাইন দেওয়ার সময় আল্ট্রাসাউন্ড প্রোবটি আবার প্রবেশ করানো হয়, ফলে জরায়ু সামান্য প্রসারিত হয়। এতে অস্বস্তি বা হালকা মুচড়ে ধরা ব্যথা হতে পারে।
তরল প্রবেশের সময় চিকিৎসক জরায়ু ও এন্ডোমেট্রিয়াম পর্যবেক্ষণ করেন। প্রক্রিয়াটি প্রায় 15 থেকে 30 মিনিট সময় নেয়।
আমার কি এই পরীক্ষা দরকার?
আপনার শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেবেন। মাসিক চলাকালে বা গর্ভাবস্থায় এই পরীক্ষা করা যায় না। সাধারণত আগে একটি গর্ভধারণ পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
ফলাফলের অর্থ কী?
স্বাভাবিক ফলাফলের অর্থ হলো জরায়ুর আকৃতি স্বাভাবিক এবং কোনো অস্বাভাবিক টিস্যু পাওয়া যায়নি।
অস্বাভাবিক ফলাফলে ফাইব্রয়েড, পলিপ, ক্ষতচিহ্নের টিস্যু বা জরায়ুর কোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়তে পারে। পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে চিকিৎসক আলোচনা করবেন।
এরপর কী হয়?
বেশিরভাগ মানুষ নিজেই গাড়ি চালিয়ে বাড়ি যেতে পারেন। হালকা মুচড়ে ধরা ব্যথা, অল্প রক্তপাত বা পানির মতো স্রাব কয়েক দিন থাকতে পারে। সংক্রমণের ঝুঁকি খুব কম হলেও কিছু চিকিৎসক কয়েক দিন যোনিপথে কোনো কিছু প্রবেশ করানো, যেমন যৌনমিলন বা ট্যাম্পন ব্যবহার, এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন।
নিচের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন:
100.4°F-এর বেশি তাপমাত্রা (প্রায় 38°C)
দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব
অতিরিক্ত রক্তপাত
ওষুধের দোকানে পাওয়া ব্যথানাশকে না কমা তীব্র ব্যথা
উৎস:
অনলাইন থেকে সংগৃহীত