সংবাদ | তামা, ক্রোমিয়াম ও অন্যান্য ধাতুর নারী প্রজননক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব
Ecotoxicology and Environmental Safety-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, কয়েকটি ধাতুর সংস্পর্শ নারী প্রজননক্ষমতার ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, তবে জিঙ্ক উল্লেখযোগ্য সুরক্ষামূলক প্রভাব দেখায়। McGill University, University of Pretoria, Université Laval, Aarhus University এবং University of Copenhagen-এর গবেষকেরা এই গবেষণা পরিচালনা করেন, যা বিশ্বজুড়ে কমে যাওয়া প্রজননহারের নতুন কারণের ইঙ্গিত দেয়।
পটভূমি
জাতিসংঘের World Fertility and Family Planning 2020 প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী প্রজননহার 20%-এরও বেশি কমে 1990 থেকে 2019-এ, অর্থাৎ নারীপ্রতি 3.2 থেকে 2.5 সন্তানে নেমেছে এবং আরও কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘায়িত আয়ুর সঙ্গে মিলিত হয়ে এটি জনসংখ্যার বার্ধক্য ত্বরান্বিত করবে, ফলে অর্থনীতিতে বড় চাপ ও শ্রমিকসংকট তৈরি হবে।
শিক্ষা, সামাজিক কারণ, পরিবেশদূষণ এবং বিবাহ সম্পর্কে পরিবর্তিত ধারণাকে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান কারণ মনে করা হয়েছে। দূষক পদার্থ নারী হরমোন ও প্রজননক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটাতে এবং ডিম্বাশয়ের জননকোষ কমাতে পারে। এসব কোষের সংখ্যা জন্মের সময় নির্ধারিত থাকায় এই ক্ষতি অপূরণীয়।
পদ্ধতি ও ফলাফল
গবেষকেরা প্লাজমা নমুনায় 22টি সাধারণ ধাতু পরিমাপ করতে inductively coupled plasma mass spectrometry (ICP-MS) ব্যবহার করেন। 180 জন অংশগ্রহণকারীর নমুনা বিশ্লেষণ করে নারী প্রজননক্ষমতার ওপর প্রভাব মূল্যায়ন করা হয়। তামা, ক্রোমিয়াম, কোবাল্ট ও রুবিডিয়ামের সঙ্গে কম প্রজননক্ষমতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক পাওয়া যায়, অন্যদিকে জিঙ্ক উল্লেখযোগ্য সুরক্ষামূলক প্রভাব দেখায়।
কম ঘনত্বে কিছু ধাতুর প্রভাব সামান্য হলেও বেশি মাত্রায় সংস্পর্শে ক্ষতিকর প্রভাব ক্রমশ বাড়ে। জনমিতিক ভেরিয়েবল ও বিভ্রান্তিকারী কারণ সমন্বয়ের পরও তামা ও কোবাল্টের নেতিবাচক প্রভাব উল্লেখযোগ্য ছিল, আর উপযুক্ত মাত্রার জিঙ্ক ভালো প্রজনন-ফলের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল।
উপসংহার
গবেষণাটি ইঙ্গিত করে যে তামা, ক্রোমিয়াম, কোবাল্ট ও রুবিডিয়ামের পরিবেশগত সংস্পর্শ বিশ্বব্যাপী কমে যাওয়া প্রজননহারে অবদান রাখতে পারে, আর জিঙ্ক সুরক্ষামূলক হতে পারে। ধাতুগুলো পরস্পরের সঙ্গে ক্রিয়া করতে পারে; কিছু সমন্বয় একক ধাতুর তুলনায় বেশি ক্ষতি করতে পারে।
ধাতুগুলোর পারস্পরিক ক্রিয়া এবং প্রজননক্ষমতার ওপর তাদের প্রভাব নিয়ে আরও গবেষণার আহ্বান জানিয়েছে গবেষকদল।
সংবাদ | তামা, ক্রোমিয়াম ও অন্যান্য ধাতুর নারীর উর্বরতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব
সংবাদ | তামা, ক্রোমিয়াম ও অন্যান্য ধাতুর নারী প্রজননক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব
Ecotoxicology and Environmental Safety-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, কয়েকটি ধাতুর সংস্পর্শ নারী প্রজননক্ষমতার ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, তবে জিঙ্ক উল্লেখযোগ্য সুরক্ষামূলক প্রভাব দেখায়। McGill University, University of Pretoria, Université Laval, Aarhus University এবং University of Copenhagen-এর গবেষকেরা এই গবেষণা পরিচালনা করেন, যা বিশ্বজুড়ে কমে যাওয়া প্রজননহারের নতুন কারণের ইঙ্গিত দেয়।
পটভূমি
জাতিসংঘের World Fertility and Family Planning 2020 প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী প্রজননহার 20%-এরও বেশি কমে 1990 থেকে 2019-এ, অর্থাৎ নারীপ্রতি 3.2 থেকে 2.5 সন্তানে নেমেছে এবং আরও কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘায়িত আয়ুর সঙ্গে মিলিত হয়ে এটি জনসংখ্যার বার্ধক্য ত্বরান্বিত করবে, ফলে অর্থনীতিতে বড় চাপ ও শ্রমিকসংকট তৈরি হবে।
শিক্ষা, সামাজিক কারণ, পরিবেশদূষণ এবং বিবাহ সম্পর্কে পরিবর্তিত ধারণাকে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান কারণ মনে করা হয়েছে। দূষক পদার্থ নারী হরমোন ও প্রজননক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটাতে এবং ডিম্বাশয়ের জননকোষ কমাতে পারে। এসব কোষের সংখ্যা জন্মের সময় নির্ধারিত থাকায় এই ক্ষতি অপূরণীয়।
পদ্ধতি ও ফলাফল
গবেষকেরা প্লাজমা নমুনায় 22টি সাধারণ ধাতু পরিমাপ করতে inductively coupled plasma mass spectrometry (ICP-MS) ব্যবহার করেন। 180 জন অংশগ্রহণকারীর নমুনা বিশ্লেষণ করে নারী প্রজননক্ষমতার ওপর প্রভাব মূল্যায়ন করা হয়। তামা, ক্রোমিয়াম, কোবাল্ট ও রুবিডিয়ামের সঙ্গে কম প্রজননক্ষমতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক পাওয়া যায়, অন্যদিকে জিঙ্ক উল্লেখযোগ্য সুরক্ষামূলক প্রভাব দেখায়।
কম ঘনত্বে কিছু ধাতুর প্রভাব সামান্য হলেও বেশি মাত্রায় সংস্পর্শে ক্ষতিকর প্রভাব ক্রমশ বাড়ে। জনমিতিক ভেরিয়েবল ও বিভ্রান্তিকারী কারণ সমন্বয়ের পরও তামা ও কোবাল্টের নেতিবাচক প্রভাব উল্লেখযোগ্য ছিল, আর উপযুক্ত মাত্রার জিঙ্ক ভালো প্রজনন-ফলের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল।
উপসংহার
গবেষণাটি ইঙ্গিত করে যে তামা, ক্রোমিয়াম, কোবাল্ট ও রুবিডিয়ামের পরিবেশগত সংস্পর্শ বিশ্বব্যাপী কমে যাওয়া প্রজননহারে অবদান রাখতে পারে, আর জিঙ্ক সুরক্ষামূলক হতে পারে। ধাতুগুলো পরস্পরের সঙ্গে ক্রিয়া করতে পারে; কিছু সমন্বয় একক ধাতুর তুলনায় বেশি ক্ষতি করতে পারে।
ধাতুগুলোর পারস্পরিক ক্রিয়া এবং প্রজননক্ষমতার ওপর তাদের প্রভাব নিয়ে আরও গবেষণার আহ্বান জানিয়েছে গবেষকদল।
গল্পের উৎস:
অনলাইন থেকে সংগৃহীত