সংবাদ | পুরুষের প্রজননক্ষমতায় COVID-19-এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব: শুক্রাণুর গুণমান ও হরমোনের মাত্রা কমে যায়
PLOS ONE-এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, SARS-CoV-2 পুরুষের প্রজননক্ষমতায়, বিশেষ করে বীর্যের গুণমান ও যৌন হরমোনের মাত্রায়, দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পদ্ধতিগত পর্যালোচনা ও তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে গবেষণায় পরীক্ষা করা হয়েছে, কীভাবে COVID-19 শুক্রাণুর সংখ্যা, গতিশীলতা ও ঘনত্ব কমায় এবং টেস্টোস্টেরনের মতো গুরুত্বপূর্ণ হরমোনে প্রভাব ফেলে।
বিস্তারিত বিশ্লেষণে সংক্রমণের পর বীর্যের পরিমাণ, শুক্রাণুর ঘনত্ব, গতিশীলতা ও জীবনীশক্তিতে উল্লেখযোগ্য হ্রাস পাওয়া গেছে। কিছু চিকিৎসায় প্রজননক্ষমতার নির্দিষ্ট কিছু সূচক উন্নত হলেও প্রভাব সীমিত ছিল এবং সংক্রমণের আগের মাত্রা পুরোপুরি ফিরিয়ে আনতে পারেনি।
COVID-19 কীভাবে প্রজননক্ষমতায় প্রভাব ফেলে?
SARS-CoV-2 **অ্যাঞ্জিওটেনসিন-কনভার্টিং এনজাইম 2 (ACE-2)** রিসেপ্টরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কোষে প্রবেশ করে; এসব রিসেপ্টর ফুসফুস, কিডনি, হৃদ্যন্ত্র ও অণ্ডকোষসহ বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত। তাই COVID-19 শুধু শ্বাসযন্ত্র নয়, পুরুষ প্রজননতন্ত্রসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গেও প্রভাব ফেলতে পারে।
অণ্ডকোষে ACE-2 রিসেপ্টর থাকায় সংক্রমণে অণ্ডকোষে প্রদাহ হতে পারে এবং বীর্যের গুণমান কমতে পারে। এতে শুক্রাণুর সংখ্যা, ঘনত্ব ও গতিশীলতা কমার পাশাপাশি শুক্রাণুর আকৃতিতেও পরিবর্তন আসতে পারে। COVID-19 পুরুষের হরমোনেও ব্যাঘাত ঘটাতে পারে; এর মধ্যে টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়া এবং প্রোল্যাক্টিন ও ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বেড়ে যাওয়া রয়েছে, যা প্রজননক্ষমতা আরও কমাতে পারে।
চিকিৎসায় কি প্রজননক্ষমতা ফিরতে পারে?
যদিও COVID-19-এর চিকিৎসায় প্রজননক্ষমতার কিছু সূচক উন্নত হয়েছিল, সংক্রমণের আগের প্রজননক্ষমতা পুরোপুরি ফিরিয়ে আনার জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। শুক্রাণুর ঘনত্ব ও গতিশীলতার মতো গুরুত্বপূর্ণ সূচক চিকিৎসার পরও সংক্রমণের আগের স্বাভাবিক মাত্রার নিচে ছিল। সংক্রমণের আগে ও পরে মূল্যায়ন করা পুরুষদের সামগ্রিক শুক্রাণুর আকৃতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি, যদিও কিছু ব্যক্তির অবনতি হয়েছিল।
দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ও ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি
গবেষণায় COVID-19-এর পুরুষের প্রজননক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব শনাক্ত হলেও, এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে আরও গবেষণা দরকার। ভবিষ্যৎ গবেষণায় পুরুষ প্রজননতন্ত্রে ভাইরাসটির দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব এবং সম্ভাব্য চিকিৎসার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বর্তমান ফলাফল ইঙ্গিত করে, যেসব পুরুষের COVID-19 হয়েছে তাঁদের প্রজননস্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করা এবং সংশ্লিষ্ট উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসা মূল্যায়ন নেওয়া উচিত।
সংবাদ | পুরুষের প্রজননক্ষমতায় COVID-19-এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব: শুক্রাণুর গুণমান ও হরমোনের মাত্রা কমে যায়
সংবাদ | পুরুষের প্রজননক্ষমতায় COVID-19-এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব: শুক্রাণুর গুণমান ও হরমোনের মাত্রা কমে যায়
PLOS ONE-এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, SARS-CoV-2 পুরুষের প্রজননক্ষমতায়, বিশেষ করে বীর্যের গুণমান ও যৌন হরমোনের মাত্রায়, দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পদ্ধতিগত পর্যালোচনা ও তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে গবেষণায় পরীক্ষা করা হয়েছে, কীভাবে COVID-19 শুক্রাণুর সংখ্যা, গতিশীলতা ও ঘনত্ব কমায় এবং টেস্টোস্টেরনের মতো গুরুত্বপূর্ণ হরমোনে প্রভাব ফেলে।
বিস্তারিত বিশ্লেষণে সংক্রমণের পর বীর্যের পরিমাণ, শুক্রাণুর ঘনত্ব, গতিশীলতা ও জীবনীশক্তিতে উল্লেখযোগ্য হ্রাস পাওয়া গেছে। কিছু চিকিৎসায় প্রজননক্ষমতার নির্দিষ্ট কিছু সূচক উন্নত হলেও প্রভাব সীমিত ছিল এবং সংক্রমণের আগের মাত্রা পুরোপুরি ফিরিয়ে আনতে পারেনি।
COVID-19 কীভাবে প্রজননক্ষমতায় প্রভাব ফেলে?
SARS-CoV-2 **অ্যাঞ্জিওটেনসিন-কনভার্টিং এনজাইম 2 (ACE-2)** রিসেপ্টরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কোষে প্রবেশ করে; এসব রিসেপ্টর ফুসফুস, কিডনি, হৃদ্যন্ত্র ও অণ্ডকোষসহ বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত। তাই COVID-19 শুধু শ্বাসযন্ত্র নয়, পুরুষ প্রজননতন্ত্রসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গেও প্রভাব ফেলতে পারে।
অণ্ডকোষে ACE-2 রিসেপ্টর থাকায় সংক্রমণে অণ্ডকোষে প্রদাহ হতে পারে এবং বীর্যের গুণমান কমতে পারে। এতে শুক্রাণুর সংখ্যা, ঘনত্ব ও গতিশীলতা কমার পাশাপাশি শুক্রাণুর আকৃতিতেও পরিবর্তন আসতে পারে। COVID-19 পুরুষের হরমোনেও ব্যাঘাত ঘটাতে পারে; এর মধ্যে টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়া এবং প্রোল্যাক্টিন ও ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বেড়ে যাওয়া রয়েছে, যা প্রজননক্ষমতা আরও কমাতে পারে।
চিকিৎসায় কি প্রজননক্ষমতা ফিরতে পারে?
যদিও COVID-19-এর চিকিৎসায় প্রজননক্ষমতার কিছু সূচক উন্নত হয়েছিল, সংক্রমণের আগের প্রজননক্ষমতা পুরোপুরি ফিরিয়ে আনার জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। শুক্রাণুর ঘনত্ব ও গতিশীলতার মতো গুরুত্বপূর্ণ সূচক চিকিৎসার পরও সংক্রমণের আগের স্বাভাবিক মাত্রার নিচে ছিল। সংক্রমণের আগে ও পরে মূল্যায়ন করা পুরুষদের সামগ্রিক শুক্রাণুর আকৃতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি, যদিও কিছু ব্যক্তির অবনতি হয়েছিল।
দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ও ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি
গবেষণায় COVID-19-এর পুরুষের প্রজননক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব শনাক্ত হলেও, এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে আরও গবেষণা দরকার। ভবিষ্যৎ গবেষণায় পুরুষ প্রজননতন্ত্রে ভাইরাসটির দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব এবং সম্ভাব্য চিকিৎসার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বর্তমান ফলাফল ইঙ্গিত করে, যেসব পুরুষের COVID-19 হয়েছে তাঁদের প্রজননস্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করা এবং সংশ্লিষ্ট উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসা মূল্যায়ন নেওয়া উচিত।
গল্পের উৎস:
অনলাইনে সংগৃহীত