গাইড | গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণ: কীভাবে চিনবেন ও সামলাবেন
আপনি কি গর্ভবতী কি না ভাবছেন? নিশ্চিতভাবে জানার একমাত্র উপায় হলো গর্ভধারণ পরীক্ষা করা। তবে গর্ভাবস্থার কিছু প্রাথমিক লক্ষণ গর্ভধারণের ইঙ্গিত দিতে পারে। নজর রাখার মতো কয়েকটি লক্ষণ নিচে দেওয়া হলো।
1। সবার কি গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দেয়?
প্রত্যেক মানুষ আলাদা, এবং প্রতিটি গর্ভাবস্থাও আলাদা। সবার একই লক্ষণ দেখা যায় না, এমনকি একই ব্যক্তির ক্ষেত্রেও বিভিন্ন গর্ভাবস্থায় লক্ষণ ভিন্ন হতে পারে। গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণগুলো প্রায়ই মাসিকের আগে বা চলাকালীন লক্ষণের মতো হয়, তাই আপনি বুঝতে নাও পারেন যে আপনি গর্ভবতী। নিচের লক্ষণগুলো সবচেয়ে সাধারণগুলোর মধ্যে পড়ে, তবে এগুলোর অন্য কারণও থাকতে পারে। শুধু লক্ষণের ভিত্তিতে গর্ভধারণ নিশ্চিত করা যায় না; নিশ্চিতভাবে জানার একমাত্র উপায় হলো গর্ভধারণ পরীক্ষা।
হালকা রক্তপাত ও পেটে টান
ভ্রূণ জরায়ুতে স্থাপনের রক্তপাত
নিষিক্ত ডিম্বাণু জরায়ুর আবরণে যুক্ত হলে গর্ভাবস্থার প্রথম দিকের একটি লক্ষণ দেখা দিতে পারে: হালকা রক্তপাত ও মাঝে মাঝে পেটে টান, যাকে ভ্রূণ জরায়ুতে স্থাপনের রক্তপাত বলা হয়। নিষেকের 6 থেকে 12 দিন পর এটি ঘটে। পেটে টান মাসিকের ব্যথার মতো হওয়ায় কেউ কেউ এটিকে মাসিক শুরুর লক্ষণ মনে করেন, তবে রক্তপাত ও পেটে টান সাধারণত কম তীব্র হয়।
গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ের স্রাব
রক্তপাতের পাশাপাশি আপনি সাদা, দুধের মতো যোনি স্রাব লক্ষ্য করতে পারেন। এটি যোনির দেয়াল পুরু হওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত, যা নিষেকের প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়। এই স্রাব সাধারণত ক্ষতিকর নয় এবং চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। এতে দুর্গন্ধ থাকলে, অথবা জ্বালাপোড়া বা চুলকানি হলে, ছত্রাক সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ বা যৌনবাহিত সংক্রমণ বাদ দিতে চিকিৎসককে জানান।
স্তনে পরিবর্তন
স্তনে পরিবর্তনও গর্ভাবস্থার একেবারে প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। নিষেকের পর হরমোনের মাত্রা দ্রুত পরিবর্তিত হয়, ফলে এক বা দুই সপ্তাহ পর স্তন ফুলে যাওয়া, ব্যথা বা ঝিনঝিনে অনুভূতি হতে পারে। স্তন ভারী বা আরও পূর্ণ মনে হতে পারে এবং স্পর্শে সংবেদনশীল হতে পারে। স্তনবৃন্তের চারপাশের অংশ, যাকে অ্যারিওলা বলা হয়, সেটিও গাঢ় হতে পারে।
স্তনে পরিবর্তনের অন্য কারণও থাকতে পারে। এগুলো যদি গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণ হয়, মনে রাখবেন যে নতুন হরমোনের মাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। শরীর মানিয়ে নেওয়ার পর স্তনের অস্বস্তি কমে আসা উচিত।
ক্লান্তি
গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে খুব ক্লান্ত লাগা স্বাভাবিক। নিষেকের এক সপ্তাহ পরও অস্বাভাবিক ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে। এটি প্রায়ই প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত, যদিও রক্তে শর্করা কমে যাওয়া, রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং রক্ত উৎপাদন বেড়ে যাওয়াও এতে ভূমিকা রাখতে পারে।
আপনার ক্লান্তি যদি গর্ভাবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তবে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিন ও আয়রনসমৃদ্ধ খাবার ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
বমিভাব (সকালের অসুস্থতা)
সকালের অসুস্থতা গর্ভাবস্থার একটি পরিচিত লক্ষণ, তবে সবার এটি হয় না। এর সঠিক কারণ অজানা, যদিও গর্ভাবস্থার হরমোন ভূমিকা রাখতে পারে। গর্ভাবস্থায় দিনের যেকোনো সময় বমিভাব হতে পারে, তবে সকালে এটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
হরমোনের পরিবর্তনের কারণেও গর্ভাবস্থায় কারও কোনো খাবারের প্রতি প্রবল আকাঙ্ক্ষা বা অনীহা তৈরি হতে পারে। এসব প্রভাব পুরো গর্ভাবস্থাজুড়ে থাকতে পারে, তবে অনেকের ক্ষেত্রে 13 বা 14 সপ্তাহের দিকে লক্ষণ কমে আসে।
মাসিক না হওয়া
গর্ভাবস্থার সবচেয়ে স্পষ্ট প্রাথমিক লক্ষণ এবং যে কারণে বেশিরভাগ মানুষ গর্ভধারণ পরীক্ষা করেন, তা হলো মাসিক না হওয়া। তবে মাসিক না হওয়ার কারণ সবসময় গর্ভাবস্থা নয়। গর্ভাবস্থায় কিছু রক্তপাত হতে পারে। আপনার রক্তপাত হলে, কখন এটি স্বাভাবিক এবং কখন তা জরুরি অবস্থার ইঙ্গিত হতে পারে, তা চিকিৎসককে জিজ্ঞেস করুন।
2। গর্ভাবস্থার অন্যান্য প্রাথমিক লক্ষণ
গর্ভাবস্থা শরীরের হরমোনের ভারসাম্য পরিবর্তন করে এবং আরও কিছু লক্ষণ সৃষ্টি করতে পারে, যেমন:
ঘন ঘন প্রস্রাব: নিষেকের প্রায় ছয় থেকে আট সপ্তাহ পর শুরু হতে পারে।
কোষ্ঠকাঠিন্য: প্রোজেস্টেরনের মাত্রা বেড়ে গেলে অন্ত্রের মধ্য দিয়ে খাবার চলাচল ধীর হয়ে যায়।
মেজাজের পরিবর্তন: বিশেষ করে প্রথম ত্রৈমাসিকে।
মাথাব্যথা ও পিঠে ব্যথা।
মাথা ঘোরা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়া: রক্তনালি প্রসারিত হওয়া, রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং রক্তে শর্করা কমে যাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
নাক বন্ধ থাকা: হরমোনের মাত্রা ও রক্ত উৎপাদন বেড়ে গেলে শ্লেষ্মা ঝিল্লিতে প্রভাব পড়তে পারে।
পেট ফাঁপা: মাসিক শুরুর সময়ের মতো।
আপনার এসব লক্ষণ সবগুলোই থাকতে পারে, আবার মাত্র একটি বা দুটি থাকতে পারে। কোনো লক্ষণ বিরক্তিকর হয়ে উঠলে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে উপশমের পরিকল্পনা তৈরি করুন।
3। উপসংহার
প্রতিটি গর্ভাবস্থা স্বতন্ত্র, তবে নজর রাখার মতো কয়েকটি প্রাথমিক লক্ষণ রয়েছে। গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণের মধ্যে রয়েছে মাসিক না হওয়া, হালকা রক্তপাত বা পেটে টান, ক্লান্তি এবং বমিভাব। গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের ফলে শরীরে নানা পরিবর্তন ঘটে। আপনি গর্ভবতী হতে পারেন মনে হলে গর্ভধারণ পরীক্ষা করুন এবং চিকিৎসকের মাধ্যমে নিশ্চিত হন।
নির্দেশিকা | প্রারম্ভিক গর্ভাবস্থার উপসর্গ: কীভাবে চিনবেন ও সামলাবেন
গাইড | গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণ: কীভাবে চিনবেন ও সামলাবেন
আপনি কি গর্ভবতী কি না ভাবছেন? নিশ্চিতভাবে জানার একমাত্র উপায় হলো গর্ভধারণ পরীক্ষা করা। তবে গর্ভাবস্থার কিছু প্রাথমিক লক্ষণ গর্ভধারণের ইঙ্গিত দিতে পারে। নজর রাখার মতো কয়েকটি লক্ষণ নিচে দেওয়া হলো।
1। সবার কি গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দেয়?
প্রত্যেক মানুষ আলাদা, এবং প্রতিটি গর্ভাবস্থাও আলাদা। সবার একই লক্ষণ দেখা যায় না, এমনকি একই ব্যক্তির ক্ষেত্রেও বিভিন্ন গর্ভাবস্থায় লক্ষণ ভিন্ন হতে পারে। গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণগুলো প্রায়ই মাসিকের আগে বা চলাকালীন লক্ষণের মতো হয়, তাই আপনি বুঝতে নাও পারেন যে আপনি গর্ভবতী। নিচের লক্ষণগুলো সবচেয়ে সাধারণগুলোর মধ্যে পড়ে, তবে এগুলোর অন্য কারণও থাকতে পারে। শুধু লক্ষণের ভিত্তিতে গর্ভধারণ নিশ্চিত করা যায় না; নিশ্চিতভাবে জানার একমাত্র উপায় হলো গর্ভধারণ পরীক্ষা।
হালকা রক্তপাত ও পেটে টান
ভ্রূণ জরায়ুতে স্থাপনের রক্তপাত
নিষিক্ত ডিম্বাণু জরায়ুর আবরণে যুক্ত হলে গর্ভাবস্থার প্রথম দিকের একটি লক্ষণ দেখা দিতে পারে: হালকা রক্তপাত ও মাঝে মাঝে পেটে টান, যাকে ভ্রূণ জরায়ুতে স্থাপনের রক্তপাত বলা হয়। নিষেকের 6 থেকে 12 দিন পর এটি ঘটে। পেটে টান মাসিকের ব্যথার মতো হওয়ায় কেউ কেউ এটিকে মাসিক শুরুর লক্ষণ মনে করেন, তবে রক্তপাত ও পেটে টান সাধারণত কম তীব্র হয়।
গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ের স্রাব
রক্তপাতের পাশাপাশি আপনি সাদা, দুধের মতো যোনি স্রাব লক্ষ্য করতে পারেন। এটি যোনির দেয়াল পুরু হওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত, যা নিষেকের প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়। এই স্রাব সাধারণত ক্ষতিকর নয় এবং চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। এতে দুর্গন্ধ থাকলে, অথবা জ্বালাপোড়া বা চুলকানি হলে, ছত্রাক সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ বা যৌনবাহিত সংক্রমণ বাদ দিতে চিকিৎসককে জানান।
স্তনে পরিবর্তন
স্তনে পরিবর্তনও গর্ভাবস্থার একেবারে প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। নিষেকের পর হরমোনের মাত্রা দ্রুত পরিবর্তিত হয়, ফলে এক বা দুই সপ্তাহ পর স্তন ফুলে যাওয়া, ব্যথা বা ঝিনঝিনে অনুভূতি হতে পারে। স্তন ভারী বা আরও পূর্ণ মনে হতে পারে এবং স্পর্শে সংবেদনশীল হতে পারে। স্তনবৃন্তের চারপাশের অংশ, যাকে অ্যারিওলা বলা হয়, সেটিও গাঢ় হতে পারে।
স্তনে পরিবর্তনের অন্য কারণও থাকতে পারে। এগুলো যদি গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণ হয়, মনে রাখবেন যে নতুন হরমোনের মাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। শরীর মানিয়ে নেওয়ার পর স্তনের অস্বস্তি কমে আসা উচিত।
ক্লান্তি
গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে খুব ক্লান্ত লাগা স্বাভাবিক। নিষেকের এক সপ্তাহ পরও অস্বাভাবিক ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে। এটি প্রায়ই প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত, যদিও রক্তে শর্করা কমে যাওয়া, রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং রক্ত উৎপাদন বেড়ে যাওয়াও এতে ভূমিকা রাখতে পারে।
আপনার ক্লান্তি যদি গর্ভাবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তবে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিন ও আয়রনসমৃদ্ধ খাবার ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
বমিভাব (সকালের অসুস্থতা)
সকালের অসুস্থতা গর্ভাবস্থার একটি পরিচিত লক্ষণ, তবে সবার এটি হয় না। এর সঠিক কারণ অজানা, যদিও গর্ভাবস্থার হরমোন ভূমিকা রাখতে পারে। গর্ভাবস্থায় দিনের যেকোনো সময় বমিভাব হতে পারে, তবে সকালে এটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
হরমোনের পরিবর্তনের কারণেও গর্ভাবস্থায় কারও কোনো খাবারের প্রতি প্রবল আকাঙ্ক্ষা বা অনীহা তৈরি হতে পারে। এসব প্রভাব পুরো গর্ভাবস্থাজুড়ে থাকতে পারে, তবে অনেকের ক্ষেত্রে 13 বা 14 সপ্তাহের দিকে লক্ষণ কমে আসে।
মাসিক না হওয়া
গর্ভাবস্থার সবচেয়ে স্পষ্ট প্রাথমিক লক্ষণ এবং যে কারণে বেশিরভাগ মানুষ গর্ভধারণ পরীক্ষা করেন, তা হলো মাসিক না হওয়া। তবে মাসিক না হওয়ার কারণ সবসময় গর্ভাবস্থা নয়। গর্ভাবস্থায় কিছু রক্তপাত হতে পারে। আপনার রক্তপাত হলে, কখন এটি স্বাভাবিক এবং কখন তা জরুরি অবস্থার ইঙ্গিত হতে পারে, তা চিকিৎসককে জিজ্ঞেস করুন।
2। গর্ভাবস্থার অন্যান্য প্রাথমিক লক্ষণ
গর্ভাবস্থা শরীরের হরমোনের ভারসাম্য পরিবর্তন করে এবং আরও কিছু লক্ষণ সৃষ্টি করতে পারে, যেমন:
ঘন ঘন প্রস্রাব: নিষেকের প্রায় ছয় থেকে আট সপ্তাহ পর শুরু হতে পারে।
কোষ্ঠকাঠিন্য: প্রোজেস্টেরনের মাত্রা বেড়ে গেলে অন্ত্রের মধ্য দিয়ে খাবার চলাচল ধীর হয়ে যায়।
মেজাজের পরিবর্তন: বিশেষ করে প্রথম ত্রৈমাসিকে।
মাথাব্যথা ও পিঠে ব্যথা।
মাথা ঘোরা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়া: রক্তনালি প্রসারিত হওয়া, রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং রক্তে শর্করা কমে যাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
নাক বন্ধ থাকা: হরমোনের মাত্রা ও রক্ত উৎপাদন বেড়ে গেলে শ্লেষ্মা ঝিল্লিতে প্রভাব পড়তে পারে।
পেট ফাঁপা: মাসিক শুরুর সময়ের মতো।
আপনার এসব লক্ষণ সবগুলোই থাকতে পারে, আবার মাত্র একটি বা দুটি থাকতে পারে। কোনো লক্ষণ বিরক্তিকর হয়ে উঠলে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে উপশমের পরিকল্পনা তৈরি করুন।
3। উপসংহার
প্রতিটি গর্ভাবস্থা স্বতন্ত্র, তবে নজর রাখার মতো কয়েকটি প্রাথমিক লক্ষণ রয়েছে। গর্ভাবস্থার প্রাথমিক লক্ষণের মধ্যে রয়েছে মাসিক না হওয়া, হালকা রক্তপাত বা পেটে টান, ক্লান্তি এবং বমিভাব। গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তনের ফলে শরীরে নানা পরিবর্তন ঘটে। আপনি গর্ভবতী হতে পারেন মনে হলে গর্ভধারণ পরীক্ষা করুন এবং চিকিৎসকের মাধ্যমে নিশ্চিত হন।
উৎস:
অনলাইন থেকে সংগৃহীত