গর্ভাবস্থায় ব্যথা হতে পারে, তবে ওষুধ ব্যবহারে বিশেষ যত্ন প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা ওভার-দ্য-কাউন্টার ব্যথানাশকসহ যেকোনো ওষুধ গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দেন।
অ্যাসিটামিনোফেন
এই সাধারণ ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধ জ্বর, মাথাব্যথা ও পেশির ব্যথা উপশম করে। চিকিৎসকের পরামর্শে বেশিরভাগ গর্ভবতী নারী এটি নিরাপদে ব্যবহার করতে পারেন। এটি সরাসরি গর্ভপাত বা জন্মগত ত্রুটির সঙ্গে যুক্ত নয়, তবে 28 দিনের বেশি দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে শিশুদের হালকা বিকাশগত বিলম্ব বা অ্যাটেনশন-ডেফিসিট/হাইপারঅ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার (ADHD)-এর ঝুঁকি বাড়তে পারে। চিকিৎসকের অনুমোদিত সর্বনিম্ন মাত্রা সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করুন।
ননস্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধ (NSAIDs)
গর্ভবতী নারীদের আইবুপ্রোফেনের মতো NSAIDs এড়ানো উচিত, বিশেষ করে গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে এবং তৃতীয় ত্রৈমাসিকে। শুরুর দিকে এগুলোর ব্যবহার গর্ভপাত ও কিছু জন্মগত ত্রুটির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, আর পরে এগুলো ভ্রূণের হৃদ্যন্ত্রের রক্তনালিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
অপিওয়েড ব্যথানাশক
কোডিন ও মরফিনের মতো অপিওয়েড তীব্র ব্যথা উপশম করে, তবে গর্ভাবস্থায় সতর্কতা প্রয়োজন। কিছু গবেষণায় এগুলোর সঙ্গে হৃদ্যন্ত্রের সমস্যাসহ জন্মগত ত্রুটির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। এগুলোর ব্যবহার নবজাতকের অ্যাবস্টিনেন্স সিনড্রোম (NAS) ঘটাতে পারে, যা নবজাতকের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।
গাইড | গর্ভাবস্থায় কোন ব্যথানাশক নিরাপদ?
গাইড | গর্ভাবস্থায় কোন ব্যথানাশক নিরাপদ?
গর্ভাবস্থায় ব্যথা হতে পারে, তবে ওষুধ ব্যবহারে বিশেষ যত্ন প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা ওভার-দ্য-কাউন্টার ব্যথানাশকসহ যেকোনো ওষুধ গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দেন।
অ্যাসিটামিনোফেন
এই সাধারণ ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধ জ্বর, মাথাব্যথা ও পেশির ব্যথা উপশম করে। চিকিৎসকের পরামর্শে বেশিরভাগ গর্ভবতী নারী এটি নিরাপদে ব্যবহার করতে পারেন। এটি সরাসরি গর্ভপাত বা জন্মগত ত্রুটির সঙ্গে যুক্ত নয়, তবে 28 দিনের বেশি দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে শিশুদের হালকা বিকাশগত বিলম্ব বা অ্যাটেনশন-ডেফিসিট/হাইপারঅ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার (ADHD)-এর ঝুঁকি বাড়তে পারে। চিকিৎসকের অনুমোদিত সর্বনিম্ন মাত্রা সবচেয়ে কম সময়ের জন্য ব্যবহার করুন।
ননস্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধ (NSAIDs)
গর্ভবতী নারীদের আইবুপ্রোফেনের মতো NSAIDs এড়ানো উচিত, বিশেষ করে গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে এবং তৃতীয় ত্রৈমাসিকে। শুরুর দিকে এগুলোর ব্যবহার গর্ভপাত ও কিছু জন্মগত ত্রুটির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, আর পরে এগুলো ভ্রূণের হৃদ্যন্ত্রের রক্তনালিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
অপিওয়েড ব্যথানাশক
কোডিন ও মরফিনের মতো অপিওয়েড তীব্র ব্যথা উপশম করে, তবে গর্ভাবস্থায় সতর্কতা প্রয়োজন। কিছু গবেষণায় এগুলোর সঙ্গে হৃদ্যন্ত্রের সমস্যাসহ জন্মগত ত্রুটির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। এগুলোর ব্যবহার নবজাতকের অ্যাবস্টিনেন্স সিনড্রোম (NAS) ঘটাতে পারে, যা নবজাতকের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ব্যথা উপশমের ওষুধ বেছে নেওয়ার সময় চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।
গল্পের উৎস:
অনলাইন থেকে সংগৃহীত