জ্ঞান | গর্ভপাতের পর আবার চেষ্টা করার সবচেয়ে নিরাপদ সময় কখন? চিকিৎসকের ব্যাখ্যা
যেসব নারীর গর্ভপাত হয়েছে, তাদের জন্য পরবর্তী গর্ভধারণ প্রায়ই উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা নিয়ে আসে। অনেকে আগের গর্ভধারণের যন্ত্রণা মনে করে আশঙ্কা করেন, আবারও একই ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেন, গর্ভপাতের পর আবার গর্ভবতী হওয়া অধিকাংশ নারী শেষ পর্যন্ত সুস্থ সন্তানের জন্ম দেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় 1% দম্পতির পরপর দুই বা তার বেশি বার গর্ভপাত হয়। তাই পুনরাবৃত্ত গর্ভপাত সাধারণ ঘটনা নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ Jabeen Begum, MD, উল্লেখ করেন যে গর্ভপাতের অধিকাংশ কারণ ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে; এর মধ্যে ক্রোমোজোমের অস্বাভাবিকতা বা ভ্রূণের বিকাশে সমস্যা মতো প্রাকৃতিক কারণও রয়েছে। ভবিষ্যতে গর্ভপাতের ঝুঁকি কমাতে এবং নিজের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নারীরা কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন।
চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলো নেওয়ার পরামর্শ দেন:
শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য যথেষ্ট সময় দিন এবং আবার চেষ্টা করার আগে উপযুক্ত সময় নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন। অপেক্ষার পরামর্শ এক মাসিক চক্র থেকে তিন মাস পর্যন্ত হতে পারে।
নিয়মিত প্রসবপূর্ব পরীক্ষা করান; গর্ভাবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য প্রয়োজন হলে আরও ঘন ঘন ফলো-আপ করুন।
তামাক, অ্যালকোহল ও অবৈধ মাদক এড়িয়ে চলুন এবং ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
চিকিৎসকের অনুমোদন নিয়ে স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন এবং পরিমিত ব্যায়াম করুন।
পর্যাপ্ত সম্পূর্ণ শস্য, ফল ও সবজি-সমৃদ্ধ সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন।
প্রতিদিন ক্যাফেইন 200 মিলিগ্রামের বেশি গ্রহণ করবেন না; এটি প্রায় এক কাপ কফির সমান।
একাধিকবার গর্ভপাত হয়েছে এমন নারীদের নিয়মতান্ত্রিক মূল্যায়নের পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় 50% রোগীর পরীক্ষায় সম্ভাব্য একটি কারণ শনাক্ত হয়। সাধারণ পরীক্ষাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
রক্ত ও জিনগত পরীক্ষা;
হিস্টেরোসালপিঙ্গোগ্রাফি (HSG);
হিস্টেরোস্কোপি;
ল্যাপারোস্কোপি।
চিকিৎসকেরা জোর দিয়ে বলেন, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা জরায়ুমুখ কিংবা জরায়ুর অস্বাভাবিকতার মতো গর্ভপাতের কিছু কারণের চিকিৎসা করা সম্ভব। গবেষণায় দেখা গেছে, দুই বা তার বেশি বার গর্ভপাতের পরও 60% থেকে 70% নারী পরবর্তীতে গর্ভধারণ করে সুস্থ সন্তানের জন্ম দেন।
Dr. Begum নারীদের আশাবাদী থাকতে উৎসাহিত করেন: “শারীরিক সুস্থ হতে সময় লাগে, তবে মানসিক সুস্থতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অধিকাংশ নারী আবার গর্ভবতী হতে পারেন। চিকিৎসকের নির্দেশনায় স্বাস্থ্যকরভাবে পরবর্তী গর্ভধারণের দিকে এগিয়ে যাওয়াই মূল কথা।”
জ্ঞান | গর্ভপাতের পর আবার চেষ্টা করার সবচেয়ে নিরাপদ সময় কখন? চিকিৎসকের ব্যাখ্যা
জ্ঞান | গর্ভপাতের পর আবার চেষ্টা করার সবচেয়ে নিরাপদ সময় কখন? চিকিৎসকের ব্যাখ্যা
যেসব নারীর গর্ভপাত হয়েছে, তাদের জন্য পরবর্তী গর্ভধারণ প্রায়ই উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা নিয়ে আসে। অনেকে আগের গর্ভধারণের যন্ত্রণা মনে করে আশঙ্কা করেন, আবারও একই ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেন, গর্ভপাতের পর আবার গর্ভবতী হওয়া অধিকাংশ নারী শেষ পর্যন্ত সুস্থ সন্তানের জন্ম দেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় 1% দম্পতির পরপর দুই বা তার বেশি বার গর্ভপাত হয়। তাই পুনরাবৃত্ত গর্ভপাত সাধারণ ঘটনা নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ Jabeen Begum, MD, উল্লেখ করেন যে গর্ভপাতের অধিকাংশ কারণ ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে; এর মধ্যে ক্রোমোজোমের অস্বাভাবিকতা বা ভ্রূণের বিকাশে সমস্যা মতো প্রাকৃতিক কারণও রয়েছে। ভবিষ্যতে গর্ভপাতের ঝুঁকি কমাতে এবং নিজের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নারীরা কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন।
চিকিৎসকেরা নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলো নেওয়ার পরামর্শ দেন:
শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য যথেষ্ট সময় দিন এবং আবার চেষ্টা করার আগে উপযুক্ত সময় নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন। অপেক্ষার পরামর্শ এক মাসিক চক্র থেকে তিন মাস পর্যন্ত হতে পারে।
নিয়মিত প্রসবপূর্ব পরীক্ষা করান; গর্ভাবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য প্রয়োজন হলে আরও ঘন ঘন ফলো-আপ করুন।
তামাক, অ্যালকোহল ও অবৈধ মাদক এড়িয়ে চলুন এবং ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের মতো দীর্ঘমেয়াদি রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
চিকিৎসকের অনুমোদন নিয়ে স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন এবং পরিমিত ব্যায়াম করুন।
পর্যাপ্ত সম্পূর্ণ শস্য, ফল ও সবজি-সমৃদ্ধ সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন।
প্রতিদিন ক্যাফেইন 200 মিলিগ্রামের বেশি গ্রহণ করবেন না; এটি প্রায় এক কাপ কফির সমান।
একাধিকবার গর্ভপাত হয়েছে এমন নারীদের নিয়মতান্ত্রিক মূল্যায়নের পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় 50% রোগীর পরীক্ষায় সম্ভাব্য একটি কারণ শনাক্ত হয়। সাধারণ পরীক্ষাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
রক্ত ও জিনগত পরীক্ষা;
হিস্টেরোসালপিঙ্গোগ্রাফি (HSG);
হিস্টেরোস্কোপি;
ল্যাপারোস্কোপি।
চিকিৎসকেরা জোর দিয়ে বলেন, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা জরায়ুমুখ কিংবা জরায়ুর অস্বাভাবিকতার মতো গর্ভপাতের কিছু কারণের চিকিৎসা করা সম্ভব। গবেষণায় দেখা গেছে, দুই বা তার বেশি বার গর্ভপাতের পরও 60% থেকে 70% নারী পরবর্তীতে গর্ভধারণ করে সুস্থ সন্তানের জন্ম দেন।
Dr. Begum নারীদের আশাবাদী থাকতে উৎসাহিত করেন: “শারীরিক সুস্থ হতে সময় লাগে, তবে মানসিক সুস্থতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অধিকাংশ নারী আবার গর্ভবতী হতে পারেন। চিকিৎসকের নির্দেশনায় স্বাস্থ্যকরভাবে পরবর্তী গর্ভধারণের দিকে এগিয়ে যাওয়াই মূল কথা।”
প্রতিবেদনের উৎস:
অনলাইনে সংগৃহীত