গাইড | স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীরা কীভাবে প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণ করতে পারেন? ডিম্বাণু হিমায়িতকরণ হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ
স্তন ক্যানসারের চিকিৎসার পর তরুণীদের প্রায়ই রোগের চিকিৎসা করা এবং প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণের মধ্যে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাথমিক পর্যায়ের স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত অধিকাংশ রোগী চিকিৎসার পরও গর্ভধারণ করে সন্তান জন্ম দিতে পারেন; আর আগে ডিম্বাণু বা ভ্রূণ হিমায়িত করে রাখা রোগীদের সাফল্যের হার বেশি।
2024তম American Society of Clinical Oncology (ASCO) Annual Meeting-এ উপস্থাপিত এই গবেষণায় প্রায় 200 জন 40 বছরের কম বয়সী স্তন ক্যানসার রোগীকে পর্যবেক্ষণ করা হয়, যাঁরা চিকিৎসার পর গর্ভধারণ করতে চেয়েছিলেন। ফলাফলে দেখা যায়, 73% জন গর্ভধারণ করেন এবং 65% জন সন্তান জন্ম দেন—যা প্রজননক্ষমতা নিয়ে উদ্বিগ্ন অনেক রোগীর জন্য আশাব্যঞ্জক।
কেমোথেরাপি ও হরমোন থেরাপির মতো স্তন ক্যানসারের চিকিৎসা ডিম্বাশয়ের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে, প্রজননক্ষমতা কমাতে পারে এবং কিছু নারীর অকাল মেনোপজ ঘটাতে পারে। চিকিৎসা চলাকালে গর্ভধারণ সম্ভব নয়, এবং গর্ভধারণের চেষ্টা করার আগে কেমোথেরাপির পর রোগীদের একটি নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করতে হয়।
"স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীরা তাঁদের ভবিষ্যৎ প্রজননক্ষমতা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন থাকেন। এই গবেষণা তাঁদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আশাব্যঞ্জক।"
—ডা. Marla Lipsyc-Sharf, UCLA-এর David Geffen School of Medicine-এর স্তন ক্যানসার বিশেষজ্ঞ
অনেক রোগী আরও আশঙ্কা করেন, গর্ভধারণ ক্যানসার পুনরাবৃত্তির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, অথবা তাঁরা বংশগত জিন সন্তানের মধ্যে সঞ্চারিত করতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের বেঁচে থাকার ওপর গর্ভধারণের প্রভাব নেই; তবে প্রজনন পরিকল্পনার জন্য এখনও ব্যক্তিভিত্তিক মূল্যায়ন প্রয়োজন।
গবেষণায় দেখা গেছে, হিমায়িত ডিম্বাণু বা ভ্রূণ প্রজনন-সাফল্য বাড়াতে পারে
গবেষণায় পর্যায় 0–III স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের সর্বোচ্চ 11 বছর পর্যবেক্ষণ করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলগুলো হলো:
রোগীদের মধ্যে 73% জন গর্ভধারণ করেন এবং 65% জন সন্তান জন্ম দেন।
28% জন চিকিৎসার আগে প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণ করেছিলেন, যেমন ডিম্বাণু বা ভ্রূণ হিমায়িত করে রাখা। প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণ না করা রোগীদের তুলনায় তাঁদের প্রজনন-সাফল্যের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল।
ক্যানসারের পর্যায় গর্ভধারণ বা সন্তান জন্মদানের সম্ভাবনায় প্রভাব ফেলেনি। এমনকি উচ্চতর পর্যায়ের রোগে (পর্যায় II–III) আক্রান্ত রোগীদেরও তুলনামূলকভাবে গর্ভধারণের হার বেশি ছিল।
বয়স বাড়ার সঙ্গে গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মদানের হার কমেছে। কমবয়সী রোগীদের প্রজননক্ষমতা বেশি ছিল, তাই দ্রুত প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণ করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
যেসব রোগীর আর্থিক সামর্থ্য বেশি, তাঁদের গর্ভধারণের সম্ভাবনাও বেশি ছিল—এতে দেখা যায়, সহায়ক প্রজননসেবায় প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে খরচ বহনের সক্ষমতা এখনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
"এই গবেষণা স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণসেবায় প্রবেশাধিকারের গুরুত্ব আরও স্পষ্ট করেছে। অনেক তরুণী রোগনির্ণয়ের সময় পর্যাপ্ত প্রজনন-পরামর্শ পান না, এবং এর পরিবর্তন দরকার।"
—ডা. Kimia Sorouri, গবেষণার প্রধান, Dana-Farber Cancer Institute
স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীরা কীভাবে প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণ করতে পারেন?
যেসব স্তন ক্যানসার রোগী ভবিষ্যতে সন্তান চান, বিশেষজ্ঞরা তাঁদের চিকিৎসা শুরুর আগে যত দ্রুত সম্ভব প্রজনন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে এবং নিম্নলিখিত বিকল্পগুলো বিবেচনা করতে বলেন:
ডিম্বাণু বা ভ্রূণ হিমায়িতকরণ: যেসব রোগীর এখনও সন্তান নেই কিন্তু ভবিষ্যতে সন্তান চান, তাঁদের জন্য বর্তমানে এটি প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
ডিম্বাশয় দমন: ডিম্বাশয়ের কার্যকারিতা দমন করতে এবং কেমোথেরাপিজনিত ডিম্বাণুর ক্ষতি কমাতে ওষুধ ব্যবহার করা হয়।
চিকিৎসা বিলম্বিত করা (শুধু নির্বাচিত ক্ষেত্রে): চিকিৎসাগতভাবে উপযুক্ত হলে কিছু রোগী চিকিৎসার আগে সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণ সবার সাধ্যের মধ্যে নয়। প্রতি চক্রে ডিম্বাণু বা ভ্রূণ হিমায়িত করতে সর্বোচ্চ $15,000 খরচ হতে পারে, এবং তরুণ স্তন ক্যানসার রোগীদের মাত্র 20% জন প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেন—মূলত আর্থিক চাপ, চিকিৎসাসেবায় সীমিত প্রবেশাধিকার ও মানসিক চাপের কারণে।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: স্তন ক্যানসারের চিকিৎসার অংশ হওয়া উচিত প্রজনন-পরামর্শ
স্তন ক্যানসার রোগীদের রোগনির্ণয়ের পর দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে হয়, ফলে প্রজননক্ষমতা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় খুব কম থাকে এবং মানসিক চাপ বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা রোগনির্ণয়ের সময়ই প্রজননক্ষমতা নিয়ে আলোচনা এবং মানসিক সহায়তা দেওয়ার পরামর্শ দেন, যাতে রোগীরা দ্রুত জেনে-বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
"চিকিৎসার পরই প্রজননক্ষমতা নিয়ে ভাবা হয়, কিন্তু আসলে রোগনির্ণয়ের সময়ই এটি আলোচনার অংশ হওয়া উচিত।"
—ডা. Marla Lipsyc-Sharf
স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য চিকিৎসা ও প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণ এখন আর পরস্পরবিরোধী হতে হবে না। প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণের প্রযুক্তির উন্নতি এবং নীতিগত সহায়তা বাড়ার সঙ্গে আরও বেশি স্তন ক্যানসার থেকে সুস্থ হওয়া রোগী মা-বাবা হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।
গাইড | স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীরা কীভাবে উর্বরতা সংরক্ষণ করতে পারেন? ডিম্বাণু হিমায়িতকরণ হতে পারে মূল উপায়
গাইড | স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীরা কীভাবে প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণ করতে পারেন? ডিম্বাণু হিমায়িতকরণ হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ
স্তন ক্যানসারের চিকিৎসার পর তরুণীদের প্রায়ই রোগের চিকিৎসা করা এবং প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণের মধ্যে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাথমিক পর্যায়ের স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত অধিকাংশ রোগী চিকিৎসার পরও গর্ভধারণ করে সন্তান জন্ম দিতে পারেন; আর আগে ডিম্বাণু বা ভ্রূণ হিমায়িত করে রাখা রোগীদের সাফল্যের হার বেশি।
2024তম American Society of Clinical Oncology (ASCO) Annual Meeting-এ উপস্থাপিত এই গবেষণায় প্রায় 200 জন 40 বছরের কম বয়সী স্তন ক্যানসার রোগীকে পর্যবেক্ষণ করা হয়, যাঁরা চিকিৎসার পর গর্ভধারণ করতে চেয়েছিলেন। ফলাফলে দেখা যায়, 73% জন গর্ভধারণ করেন এবং 65% জন সন্তান জন্ম দেন—যা প্রজননক্ষমতা নিয়ে উদ্বিগ্ন অনেক রোগীর জন্য আশাব্যঞ্জক।
স্তন ক্যানসারের চিকিৎসা কীভাবে প্রজননক্ষমতাকে প্রভাবিত করে?
কেমোথেরাপি ও হরমোন থেরাপির মতো স্তন ক্যানসারের চিকিৎসা ডিম্বাশয়ের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে, প্রজননক্ষমতা কমাতে পারে এবং কিছু নারীর অকাল মেনোপজ ঘটাতে পারে। চিকিৎসা চলাকালে গর্ভধারণ সম্ভব নয়, এবং গর্ভধারণের চেষ্টা করার আগে কেমোথেরাপির পর রোগীদের একটি নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করতে হয়।
"স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীরা তাঁদের ভবিষ্যৎ প্রজননক্ষমতা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন থাকেন। এই গবেষণা তাঁদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আশাব্যঞ্জক।"
—ডা. Marla Lipsyc-Sharf, UCLA-এর David Geffen School of Medicine-এর স্তন ক্যানসার বিশেষজ্ঞ
অনেক রোগী আরও আশঙ্কা করেন, গর্ভধারণ ক্যানসার পুনরাবৃত্তির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, অথবা তাঁরা বংশগত জিন সন্তানের মধ্যে সঞ্চারিত করতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের বেঁচে থাকার ওপর গর্ভধারণের প্রভাব নেই; তবে প্রজনন পরিকল্পনার জন্য এখনও ব্যক্তিভিত্তিক মূল্যায়ন প্রয়োজন।
গবেষণায় দেখা গেছে, হিমায়িত ডিম্বাণু বা ভ্রূণ প্রজনন-সাফল্য বাড়াতে পারে
গবেষণায় পর্যায় 0–III স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের সর্বোচ্চ 11 বছর পর্যবেক্ষণ করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলগুলো হলো:
রোগীদের মধ্যে 73% জন গর্ভধারণ করেন এবং 65% জন সন্তান জন্ম দেন।
28% জন চিকিৎসার আগে প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণ করেছিলেন, যেমন ডিম্বাণু বা ভ্রূণ হিমায়িত করে রাখা। প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণ না করা রোগীদের তুলনায় তাঁদের প্রজনন-সাফল্যের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল।
ক্যানসারের পর্যায় গর্ভধারণ বা সন্তান জন্মদানের সম্ভাবনায় প্রভাব ফেলেনি। এমনকি উচ্চতর পর্যায়ের রোগে (পর্যায় II–III) আক্রান্ত রোগীদেরও তুলনামূলকভাবে গর্ভধারণের হার বেশি ছিল।
বয়স বাড়ার সঙ্গে গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মদানের হার কমেছে। কমবয়সী রোগীদের প্রজননক্ষমতা বেশি ছিল, তাই দ্রুত প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণ করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
যেসব রোগীর আর্থিক সামর্থ্য বেশি, তাঁদের গর্ভধারণের সম্ভাবনাও বেশি ছিল—এতে দেখা যায়, সহায়ক প্রজননসেবায় প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে খরচ বহনের সক্ষমতা এখনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
"এই গবেষণা স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণসেবায় প্রবেশাধিকারের গুরুত্ব আরও স্পষ্ট করেছে। অনেক তরুণী রোগনির্ণয়ের সময় পর্যাপ্ত প্রজনন-পরামর্শ পান না, এবং এর পরিবর্তন দরকার।"
—ডা. Kimia Sorouri, গবেষণার প্রধান, Dana-Farber Cancer Institute
স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীরা কীভাবে প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণ করতে পারেন?
যেসব স্তন ক্যানসার রোগী ভবিষ্যতে সন্তান চান, বিশেষজ্ঞরা তাঁদের চিকিৎসা শুরুর আগে যত দ্রুত সম্ভব প্রজনন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে এবং নিম্নলিখিত বিকল্পগুলো বিবেচনা করতে বলেন:
ডিম্বাণু বা ভ্রূণ হিমায়িতকরণ: যেসব রোগীর এখনও সন্তান নেই কিন্তু ভবিষ্যতে সন্তান চান, তাঁদের জন্য বর্তমানে এটি প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
ডিম্বাশয় দমন: ডিম্বাশয়ের কার্যকারিতা দমন করতে এবং কেমোথেরাপিজনিত ডিম্বাণুর ক্ষতি কমাতে ওষুধ ব্যবহার করা হয়।
চিকিৎসা বিলম্বিত করা (শুধু নির্বাচিত ক্ষেত্রে): চিকিৎসাগতভাবে উপযুক্ত হলে কিছু রোগী চিকিৎসার আগে সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণ সবার সাধ্যের মধ্যে নয়। প্রতি চক্রে ডিম্বাণু বা ভ্রূণ হিমায়িত করতে সর্বোচ্চ $15,000 খরচ হতে পারে, এবং তরুণ স্তন ক্যানসার রোগীদের মাত্র 20% জন প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেন—মূলত আর্থিক চাপ, চিকিৎসাসেবায় সীমিত প্রবেশাধিকার ও মানসিক চাপের কারণে।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: স্তন ক্যানসারের চিকিৎসার অংশ হওয়া উচিত প্রজনন-পরামর্শ
স্তন ক্যানসার রোগীদের রোগনির্ণয়ের পর দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে হয়, ফলে প্রজননক্ষমতা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় খুব কম থাকে এবং মানসিক চাপ বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা রোগনির্ণয়ের সময়ই প্রজননক্ষমতা নিয়ে আলোচনা এবং মানসিক সহায়তা দেওয়ার পরামর্শ দেন, যাতে রোগীরা দ্রুত জেনে-বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
"চিকিৎসার পরই প্রজননক্ষমতা নিয়ে ভাবা হয়, কিন্তু আসলে রোগনির্ণয়ের সময়ই এটি আলোচনার অংশ হওয়া উচিত।"
—ডা. Marla Lipsyc-Sharf
স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য চিকিৎসা ও প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণ এখন আর পরস্পরবিরোধী হতে হবে না। প্রজননক্ষমতা সংরক্ষণের প্রযুক্তির উন্নতি এবং নীতিগত সহায়তা বাড়ার সঙ্গে আরও বেশি স্তন ক্যানসার থেকে সুস্থ হওয়া রোগী মা-বাবা হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।
গল্পের উৎস:
অনলাইনে সংগৃহীত