গাইড | জরায়ুর অ্যাটনি: এই প্রসব-পরবর্তী জটিলতা ও এর জরুরি ব্যবস্থাপনা বোঝা
জরায়ুর অ্যাটনি একটি গুরুতর অবস্থা, যা প্রসব-পরবর্তী তীব্র রক্তক্ষরণ ঘটাতে পারে এবং দ্রুত চিকিৎসা না হলে জীবনহানির আশঙ্কা থাকে। প্রসবের পর জরায়ুর পেশি স্বাভাবিকভাবে সংকুচিত না হলে এটি ঘটে; ফলে রক্তনালিগুলো বন্ধ হয় না এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। স্বাভাবিক প্রসব, সিজারিয়ান প্রসব, গর্ভপাত বা গর্ভসমাপ্তির পরও এটি হতে পারে।
জরায়ুর অ্যাটনি কী?
প্রসবের পর জরায়ুর পেশি কার্যকরভাবে সংকুচিত হতে ব্যর্থ হলে জরায়ুর অ্যাটনি হয়। এর ফলে জরায়ুর রক্তনালি, বিশেষ করে সর্পিল ধমনিগুলো, বন্ধ হতে পারে না এবং অবিরাম রক্তক্ষরণ হয়। সাধারণত প্রসবের পর জরায়ুর সংকোচন ক্ষতিগ্রস্ত রক্তনালিতে চাপ সৃষ্টি করে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে সহায়তা করে। এই পেশিগুলো সঠিকভাবে সংকুচিত না হলে রক্তপ্রবাহ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে।
জরায়ুর অ্যাটনি একটি জরুরি চিকিৎসাগত অবস্থা, যা দ্রুত চিকিৎসা না হলে তীব্র রক্তক্ষরণ ঘটিয়ে জীবন বিপন্ন করতে পারে। স্বাভাবিক বা সিজারিয়ান প্রসব, গর্ভপাত কিংবা ওষুধের মাধ্যমে গর্ভসমাপ্তির পর এটি হতে পারে।
জরায়ুর অ্যাটনির কারণ
জরায়ুর পেশির অকার্যকর সংকোচনই মূলত জরায়ুর অ্যাটনির কারণ। প্রসবের পর পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত অক্সিটোসিন জরায়ুর সংকোচন উদ্দীপিত করে এবং রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। পেশিগুলো প্রত্যাশামতো সংকুচিত না হলে জরায়ুর অ্যাটনি হতে পারে এবং রক্তক্ষরণ চলতে পারে।
নির্দিষ্ট কারণ ও ঝুঁকির কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
কঠিন বা দীর্ঘস্থায়ী প্রসব;
বড় শিশু, একাধিক গর্ভধারণ বা অতিরিক্ত অ্যামনিওটিক তরলের কারণে জরায়ু অতিরিক্ত প্রসারিত হওয়া;
প্রসব শুরু করাতে দীর্ঘ সময় অক্সিটোসিন ব্যবহার;
কিছু ওষুধ, যেমন ম্যাগনেসিয়াম সালফেট;
ফাইব্রয়েডের মতো জরায়ুর নিরীহ টিউমার;
ভ্রূণের আবরণে সংক্রমণ (কোরিওঅ্যামনিওনাইটিস);
স্থূলতা।
জরায়ুর অ্যাটনির উপসর্গ
প্রধান উপসর্গ হলো প্রসবের পর অবিরাম রক্তক্ষরণ। প্রসবের পরপর অল্প রক্তক্ষরণ স্বাভাবিক, তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, ঘন ঘন প্যাড বদলানো বা অসুস্থ বোধ হলে অবিলম্বে চিকিৎসককে জানাতে হবে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে হতে পারে:
নিম্ন রক্তচাপ;
দ্রুত হৃদস্পন্দন;
ফ্যাকাশে ত্বক;
মূত্রের পরিমাণ কমে যাওয়া;
মাথা ঘোরা;
অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
জরায়ুর অ্যাটনি কীভাবে নির্ণয় করা হয়?
চিকিৎসকেরা জরায়ুতে হাত দিয়ে পরীক্ষা করে এবং এর আকার নির্ণয় করে জরায়ুর অ্যাটনি শনাক্ত করেন। সিজারিয়ান প্রসবের পর ক্ষতস্থান বন্ধ করার পর চিকিৎসক জরায়ু পরীক্ষা করেন; স্বাভাবিক প্রসবের পর যোনিপথে পরীক্ষার মাধ্যমে জরায়ু মূল্যায়ন করা হতে পারে।
প্রসবের পর স্বাভাবিকভাবে জরায়ু সংকুচিত হয়ে দ্রুত ছোট হয়। জরায়ুর অ্যাটনি হলে এটি বড় ও নরম থাকে। অ্যাটনি জরায়ুর নিম্নাংশে হলে ওপরের জরায়ু বা ফান্ডাস স্বাভাবিক অনুভূত হতে পারে; তাই চিকিৎসক জরায়ুর নিম্নাংশের কোমলতার দিকে বিশেষভাবে নজর দেন।
প্রসব-পরবর্তী রক্তক্ষরণের প্রায় তিন-চতুর্থাংশের কারণ জরায়ুর অ্যাটনি। নির্ণয়ের সময় চিকিৎসকেরা অন্যান্য কারণও পরীক্ষা করেন, যেমন:
জরায়ুমুখ, যোনি বা জরায়ুতে ছিঁড়ে যাওয়া;
জরায়ুতে অবশিষ্ট প্লাসেন্টার টিস্যু, যা অব্যাহত রক্তক্ষরণ ঘটাতে পারে।
জরায়ুর অ্যাটনির চিকিৎসা
রক্তক্ষরণ দ্রুত বন্ধ করতে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ প্রতিরোধ করতে জরায়ুর অ্যাটনির জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন। রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসকেরা সাধারণত একাধিক ব্যবস্থা নেন এবং রক্তের পরিমাণ পুনরুদ্ধারে রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হতে পারে। প্রচলিত চিকিৎসাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
অক্সিটোসিন (Pitocin): জরায়ুর সংকোচন উদ্দীপিত করতে এবং রক্তনালিতে চাপ সৃষ্টি করতে শিরায় দেওয়া হয়।
Methergine: এই ওষুধ জরায়ুর অ্যাটনি কাটিয়ে রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে পারে, তবে উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যাবে না।
প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন (15-মিথাইল-PGF2, মিসোপ্রোস্টল এবং অন্যান্য): জরায়ু সংকুচিত করতে এগুলো ইনজেকশনের মাধ্যমে অথবা যোনিপথে কিংবা মলদ্বারে প্রয়োগ করা হতে পারে।
অস্ত্রোপচার: ওষুধে কাজ না হলে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। প্রচলিত পদ্ধতিগুলোর মধ্যে রয়েছে:
জরায়ু প্যাকিং: চাপ প্রয়োগ ও রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করতে জরায়ুর ভেতর গজ ভরা হয়।
জরায়ু বেলুন: জরায়ুর ভেতর একটি বেলুন ঢুকিয়ে ফুলিয়ে সরাসরি চাপ প্রয়োগ করা হয়।
জরায়ুর ধমনি বন্ধকরণ: রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে জরায়ুতে রক্ত সরবরাহকারী ধমনিগুলো বেঁধে দেওয়া হয়।
হিস্টেরেকটমি: অন্যান্য চিকিৎসায় তীব্র রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে শেষ ব্যবস্থা হিসেবে জরায়ু অপসারণ করতে হতে পারে।
সারসংক্ষেপ
জরায়ুর অ্যাটনি একটি গুরুতর প্রসব-পরবর্তী জটিলতা, যা দ্রুত চিকিৎসা না হলে মায়ের জীবন বিপন্ন করতে পারে। এর উপসর্গ ও ঝুঁকির কারণ চেনা এবং প্রসবের পর অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ হলে অবিলম্বে চিকিৎসা নেওয়া গুরুতর জটিলতা প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে। কার্যকর চিকিৎসা রয়েছে, তবে দ্রুত শনাক্তকরণ ও হস্তক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি।
গাইড | জরায়ুর অ্যাটনি: এই প্রসবোত্তর জটিলতা ও এর জরুরি ব্যবস্থাপনা বোঝা
গাইড | জরায়ুর অ্যাটনি: এই প্রসব-পরবর্তী জটিলতা ও এর জরুরি ব্যবস্থাপনা বোঝা
জরায়ুর অ্যাটনি একটি গুরুতর অবস্থা, যা প্রসব-পরবর্তী তীব্র রক্তক্ষরণ ঘটাতে পারে এবং দ্রুত চিকিৎসা না হলে জীবনহানির আশঙ্কা থাকে। প্রসবের পর জরায়ুর পেশি স্বাভাবিকভাবে সংকুচিত না হলে এটি ঘটে; ফলে রক্তনালিগুলো বন্ধ হয় না এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। স্বাভাবিক প্রসব, সিজারিয়ান প্রসব, গর্ভপাত বা গর্ভসমাপ্তির পরও এটি হতে পারে।
জরায়ুর অ্যাটনি কী?
প্রসবের পর জরায়ুর পেশি কার্যকরভাবে সংকুচিত হতে ব্যর্থ হলে জরায়ুর অ্যাটনি হয়। এর ফলে জরায়ুর রক্তনালি, বিশেষ করে সর্পিল ধমনিগুলো, বন্ধ হতে পারে না এবং অবিরাম রক্তক্ষরণ হয়। সাধারণত প্রসবের পর জরায়ুর সংকোচন ক্ষতিগ্রস্ত রক্তনালিতে চাপ সৃষ্টি করে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে সহায়তা করে। এই পেশিগুলো সঠিকভাবে সংকুচিত না হলে রক্তপ্রবাহ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে।
জরায়ুর অ্যাটনি একটি জরুরি চিকিৎসাগত অবস্থা, যা দ্রুত চিকিৎসা না হলে তীব্র রক্তক্ষরণ ঘটিয়ে জীবন বিপন্ন করতে পারে। স্বাভাবিক বা সিজারিয়ান প্রসব, গর্ভপাত কিংবা ওষুধের মাধ্যমে গর্ভসমাপ্তির পর এটি হতে পারে।
জরায়ুর অ্যাটনির কারণ
জরায়ুর পেশির অকার্যকর সংকোচনই মূলত জরায়ুর অ্যাটনির কারণ। প্রসবের পর পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত অক্সিটোসিন জরায়ুর সংকোচন উদ্দীপিত করে এবং রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। পেশিগুলো প্রত্যাশামতো সংকুচিত না হলে জরায়ুর অ্যাটনি হতে পারে এবং রক্তক্ষরণ চলতে পারে।
নির্দিষ্ট কারণ ও ঝুঁকির কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
কঠিন বা দীর্ঘস্থায়ী প্রসব;
বড় শিশু, একাধিক গর্ভধারণ বা অতিরিক্ত অ্যামনিওটিক তরলের কারণে জরায়ু অতিরিক্ত প্রসারিত হওয়া;
প্রসব শুরু করাতে দীর্ঘ সময় অক্সিটোসিন ব্যবহার;
কিছু ওষুধ, যেমন ম্যাগনেসিয়াম সালফেট;
ফাইব্রয়েডের মতো জরায়ুর নিরীহ টিউমার;
ভ্রূণের আবরণে সংক্রমণ (কোরিওঅ্যামনিওনাইটিস);
স্থূলতা।
জরায়ুর অ্যাটনির উপসর্গ
প্রধান উপসর্গ হলো প্রসবের পর অবিরাম রক্তক্ষরণ। প্রসবের পরপর অল্প রক্তক্ষরণ স্বাভাবিক, তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, ঘন ঘন প্যাড বদলানো বা অসুস্থ বোধ হলে অবিলম্বে চিকিৎসককে জানাতে হবে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে হতে পারে:
নিম্ন রক্তচাপ;
দ্রুত হৃদস্পন্দন;
ফ্যাকাশে ত্বক;
মূত্রের পরিমাণ কমে যাওয়া;
মাথা ঘোরা;
অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
জরায়ুর অ্যাটনি কীভাবে নির্ণয় করা হয়?
চিকিৎসকেরা জরায়ুতে হাত দিয়ে পরীক্ষা করে এবং এর আকার নির্ণয় করে জরায়ুর অ্যাটনি শনাক্ত করেন। সিজারিয়ান প্রসবের পর ক্ষতস্থান বন্ধ করার পর চিকিৎসক জরায়ু পরীক্ষা করেন; স্বাভাবিক প্রসবের পর যোনিপথে পরীক্ষার মাধ্যমে জরায়ু মূল্যায়ন করা হতে পারে।
প্রসবের পর স্বাভাবিকভাবে জরায়ু সংকুচিত হয়ে দ্রুত ছোট হয়। জরায়ুর অ্যাটনি হলে এটি বড় ও নরম থাকে। অ্যাটনি জরায়ুর নিম্নাংশে হলে ওপরের জরায়ু বা ফান্ডাস স্বাভাবিক অনুভূত হতে পারে; তাই চিকিৎসক জরায়ুর নিম্নাংশের কোমলতার দিকে বিশেষভাবে নজর দেন।
প্রসব-পরবর্তী রক্তক্ষরণের প্রায় তিন-চতুর্থাংশের কারণ জরায়ুর অ্যাটনি। নির্ণয়ের সময় চিকিৎসকেরা অন্যান্য কারণও পরীক্ষা করেন, যেমন:
জরায়ুমুখ, যোনি বা জরায়ুতে ছিঁড়ে যাওয়া;
জরায়ুতে অবশিষ্ট প্লাসেন্টার টিস্যু, যা অব্যাহত রক্তক্ষরণ ঘটাতে পারে।
জরায়ুর অ্যাটনির চিকিৎসা
রক্তক্ষরণ দ্রুত বন্ধ করতে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ প্রতিরোধ করতে জরায়ুর অ্যাটনির জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন। রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসকেরা সাধারণত একাধিক ব্যবস্থা নেন এবং রক্তের পরিমাণ পুনরুদ্ধারে রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হতে পারে। প্রচলিত চিকিৎসাগুলোর মধ্যে রয়েছে:
অক্সিটোসিন (Pitocin): জরায়ুর সংকোচন উদ্দীপিত করতে এবং রক্তনালিতে চাপ সৃষ্টি করতে শিরায় দেওয়া হয়।
Methergine: এই ওষুধ জরায়ুর অ্যাটনি কাটিয়ে রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে পারে, তবে উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যাবে না।
প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন (15-মিথাইল-PGF2, মিসোপ্রোস্টল এবং অন্যান্য): জরায়ু সংকুচিত করতে এগুলো ইনজেকশনের মাধ্যমে অথবা যোনিপথে কিংবা মলদ্বারে প্রয়োগ করা হতে পারে।
অস্ত্রোপচার: ওষুধে কাজ না হলে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। প্রচলিত পদ্ধতিগুলোর মধ্যে রয়েছে:
জরায়ু প্যাকিং: চাপ প্রয়োগ ও রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করতে জরায়ুর ভেতর গজ ভরা হয়।
জরায়ু বেলুন: জরায়ুর ভেতর একটি বেলুন ঢুকিয়ে ফুলিয়ে সরাসরি চাপ প্রয়োগ করা হয়।
জরায়ুর ধমনি বন্ধকরণ: রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে জরায়ুতে রক্ত সরবরাহকারী ধমনিগুলো বেঁধে দেওয়া হয়।
হিস্টেরেকটমি: অন্যান্য চিকিৎসায় তীব্র রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে শেষ ব্যবস্থা হিসেবে জরায়ু অপসারণ করতে হতে পারে।
সারসংক্ষেপ
জরায়ুর অ্যাটনি একটি গুরুতর প্রসব-পরবর্তী জটিলতা, যা দ্রুত চিকিৎসা না হলে মায়ের জীবন বিপন্ন করতে পারে। এর উপসর্গ ও ঝুঁকির কারণ চেনা এবং প্রসবের পর অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ হলে অবিলম্বে চিকিৎসা নেওয়া গুরুতর জটিলতা প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে। কার্যকর চিকিৎসা রয়েছে, তবে দ্রুত শনাক্তকরণ ও হস্তক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি।
উৎস:
অনলাইন থেকে সংগৃহীত