নির্দেশিকা | গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানের সময় শরীরে পানির ভারসাম্য: প্রতিদিন কতটা পানি প্রয়োজন?
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানের সময় পর্যাপ্ত পানি পান করা মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। American College of Obstetricians and Gynecologists গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন 64 থেকে 96 আউন্স (প্রায় 1.9 থেকে 2.8 লিটার), অথবা 8 থেকে 12 কাপ পানি পান করার পরামর্শ দেয়। পর্যাপ্ত পানি অ্যামনিয়োটিক তরল তৈরি, ভ্রূণের জন্য নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখা, রক্ত ও পুষ্টি পরিবহন এবং বিপাকীয় বর্জ্য অপসারণে সহায়তা করে। স্তন্যদানের সময় দুধ উৎপাদন ও নবজাতকের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে দৈনিক তরলের প্রয়োজন বেড়ে প্রায় 128 আউন্স (প্রায় 3.8 লিটার) হয়।
গর্ভাবস্থায় পানি পান কেন গুরুত্বপূর্ণ পর্যাপ্ত পানি হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি অ্যামনিয়োটিক তরল তৈরিতেও সহায়তা করে, যা ভ্রূণের বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পানিশূন্যতায় মাথা ঘোরা, ক্লান্তি ও নিম্ন রক্তচাপ হতে পারে এবং অ্যামনিয়োটিক তরল কমে গিয়ে সময়ের আগে প্রসব বা কম ওজন নিয়ে জন্মের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানে পানিশূন্যতার লক্ষণ বমি বমি ভাব ও বমি, বিশেষ করে হাইপারএমেসিস গ্র্যাভিডারাম, গর্ভাবস্থায় তরল গ্রহণ কমিয়ে দিতে পারে। পানিশূন্যতার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে গাঢ় হলুদ প্রস্রাব, কম ঘন ঘন প্রস্রাব, মুখ শুষ্ক হওয়া ও ঘাম কমে যাওয়া। গুরুতর পানিশূন্যতায় মা ও ভ্রূণকে সুরক্ষিত রাখতে হাসপাতালে ভর্তি ও শিরায় তরল দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানে প্রস্তাবিত পানীয় পানি সবচেয়ে ভালো পছন্দ। বেশি পরিমাণ সাধারণ পানি পান করা কঠিন হলে কম চর্বিযুক্ত দুধ বা লেবু কিংবা রাস্পবেরি মেশানো পানি তরল সরবরাহের পাশাপাশি ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য পুষ্টি দিতে পারে। ফল ও শাকসবজিও শরীরে পানির জোগান বাড়ায়। গর্ভাবস্থায় অ্যালকোহল পান করার পরামর্শ দেওয়া হয় না, কারণ এটি প্লাসেন্টা অতিক্রম করে ভ্রূণের বিকাশে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। স্তন্যদানের সময় দিনে এক পানীয়ের বেশি অ্যালকোহল পান করা উচিত নয়।
স্তন্যদানের সময় তরলের প্রয়োজন স্তন্যদানকারী মা প্রতিদিন বুকের দুধের মাধ্যমে প্রায় 25 আউন্স তরল হারান। তাই প্রতিবার শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময় এক গ্লাস পানি পান করলে এই ঘাটতি পূরণে সহায়তা করতে পারে। নবজাতকের পুষ্টি ও পানির একমাত্র উৎস হলো বুকের দুধ। তাই মা ও শিশু উভয়ের জন্য পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ।
নির্দেশিকা | গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানের সময় শরীরে পানির ভারসাম্য: প্রতিদিন কতটা পানি প্রয়োজন?
নির্দেশিকা | গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানের সময় শরীরে পানির ভারসাম্য: প্রতিদিন কতটা পানি প্রয়োজন?
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানের সময় পর্যাপ্ত পানি পান করা মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। American College of Obstetricians and Gynecologists গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন 64 থেকে 96 আউন্স (প্রায় 1.9 থেকে 2.8 লিটার), অথবা 8 থেকে 12 কাপ পানি পান করার পরামর্শ দেয়। পর্যাপ্ত পানি অ্যামনিয়োটিক তরল তৈরি, ভ্রূণের জন্য নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখা, রক্ত ও পুষ্টি পরিবহন এবং বিপাকীয় বর্জ্য অপসারণে সহায়তা করে। স্তন্যদানের সময় দুধ উৎপাদন ও নবজাতকের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে দৈনিক তরলের প্রয়োজন বেড়ে প্রায় 128 আউন্স (প্রায় 3.8 লিটার) হয়।
গর্ভাবস্থায় পানি পান কেন গুরুত্বপূর্ণ পর্যাপ্ত পানি হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি অ্যামনিয়োটিক তরল তৈরিতেও সহায়তা করে, যা ভ্রূণের বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পানিশূন্যতায় মাথা ঘোরা, ক্লান্তি ও নিম্ন রক্তচাপ হতে পারে এবং অ্যামনিয়োটিক তরল কমে গিয়ে সময়ের আগে প্রসব বা কম ওজন নিয়ে জন্মের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানে পানিশূন্যতার লক্ষণ বমি বমি ভাব ও বমি, বিশেষ করে হাইপারএমেসিস গ্র্যাভিডারাম, গর্ভাবস্থায় তরল গ্রহণ কমিয়ে দিতে পারে। পানিশূন্যতার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে গাঢ় হলুদ প্রস্রাব, কম ঘন ঘন প্রস্রাব, মুখ শুষ্ক হওয়া ও ঘাম কমে যাওয়া। গুরুতর পানিশূন্যতায় মা ও ভ্রূণকে সুরক্ষিত রাখতে হাসপাতালে ভর্তি ও শিরায় তরল দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানে প্রস্তাবিত পানীয় পানি সবচেয়ে ভালো পছন্দ। বেশি পরিমাণ সাধারণ পানি পান করা কঠিন হলে কম চর্বিযুক্ত দুধ বা লেবু কিংবা রাস্পবেরি মেশানো পানি তরল সরবরাহের পাশাপাশি ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য পুষ্টি দিতে পারে। ফল ও শাকসবজিও শরীরে পানির জোগান বাড়ায়। গর্ভাবস্থায় অ্যালকোহল পান করার পরামর্শ দেওয়া হয় না, কারণ এটি প্লাসেন্টা অতিক্রম করে ভ্রূণের বিকাশে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। স্তন্যদানের সময় দিনে এক পানীয়ের বেশি অ্যালকোহল পান করা উচিত নয়।
স্তন্যদানের সময় তরলের প্রয়োজন স্তন্যদানকারী মা প্রতিদিন বুকের দুধের মাধ্যমে প্রায় 25 আউন্স তরল হারান। তাই প্রতিবার শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময় এক গ্লাস পানি পান করলে এই ঘাটতি পূরণে সহায়তা করতে পারে। নবজাতকের পুষ্টি ও পানির একমাত্র উৎস হলো বুকের দুধ। তাই মা ও শিশু উভয়ের জন্য পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ।
উৎস:
অনলাইনে সংগৃহীত