গর্ভাবস্থায় পড়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়: প্রায় 30% গর্ভবতী নারী অন্তত একবার পড়ে যান। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গুরুতর ক্ষতি হয় না, তবে পড়ে যাওয়া মা ও ভ্রূণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এই নিবন্ধে কারণ, করণীয় ও প্রতিরোধ আলোচনা করা হয়েছে।
1. কারণ
গর্ভাবস্থায় ভ্রূণকে সুরক্ষা দিতে শরীরে পরিবর্তন আসে, যার মধ্যে জরায়ুর দেয়াল পুরু হওয়া ও অ্যামনিয়োটিক তরলের কুশন তৈরি হওয়া রয়েছে। হরমোনগত পরিবর্তন হৃদ্যন্ত্র ও রক্তনালি, শ্বাসতন্ত্র, মূত্রতন্ত্র এবং পেশি-হাড়ের ব্যবস্থাকেও প্রভাবিত করে। ওজন বৃদ্ধি, পেশির শক্তি কমে যাওয়া ও নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণের অবনতি শরীরের ভারসাম্যের কেন্দ্র বদলে দিয়ে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
ডিম্বাশয় ও প্লাসেন্টা থেকে উৎপন্ন হরমোন রিল্যাক্সিন প্রসবের প্রস্তুতিতে জয়েন্ট ও লিগামেন্ট শিথিল করে। এটি জয়েন্ট ও পায়ের স্থিতিশীলতাও কমাতে পারে।
2. পড়ে যাওয়ার পর করণীয়
সম্ভাব্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে:
মায়ের হাড় ভাঙা
ভ্রূণের মাথায় আঘাত
মা বা ভ্রূণের অভ্যন্তরীণ রক্তপাত
ভ্রূণের অবস্থান পরিবর্তন
জরায়ু বা আবরণীর ক্ষতি
বিরল ক্ষেত্রে মা বা ভ্রূণের মৃত্যু
প্রথম ত্রৈমাসিকে পড়ে গেলে সাধারণত গুরুতর জটিলতা হয় না। দ্বিতীয় বা তৃতীয় ত্রৈমাসিকে পড়ে যাওয়া, বিশেষ করে পেটে সরাসরি আঘাত লাগলে, ঝুঁকি বেশি। গর্ভাবস্থার শেষ দিকে পড়ে গেলে প্রসবসংকোচন, যোনিপথে রক্তপাত, পেটে ব্যথা বা ভ্রূণের নড়াচড়া কমে গেলে অবিলম্বে চিকিৎসা নিন।
3. ভারসাম্য রক্ষার ব্যায়াম
নিয়মিত ব্যায়ামে ভারসাম্য উন্নত, শক্তভাব ও অস্বস্তি কম এবং পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি হ্রাস পেতে পারে। গর্ভাবস্থায় ভারসাম্যের ব্যায়াম শরীরের কেন্দ্র, উরু ও নিতম্বের পেশি শক্ত করে। এসব করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন:
পেলভিক টিল্ট: শরীরের কেন্দ্র ও পেলভিক পেশি শক্ত করে।
লেগ লিফট: পিঠ, পেট ও নিতম্বের পেশি শক্ত করে।
পেছনের দিকে স্ট্রেচ: পিঠ, উরু ও পেলভিক পেশি প্রসারিত করে।
উপরের শরীর ঘোরানো: পিঠ ও শরীরের ওপরের অংশ প্রসারিত করে।
4. প্রতিরোধ
পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে:
ভেজা, পিচ্ছিল বা অসমতল পৃষ্ঠ এড়িয়ে চলুন
পিচ্ছিল-রোধী জুতা পরুন
উঁচু হিল ও ওয়েজ এড়িয়ে চলুন
সিঁড়িতে হাতল ব্যবহার করুন
বড় জিনিস বা দৃষ্টিতে বাধা দেয় এমন কিছু বহন এড়িয়ে চলুন
গাইড | গর্ভাবস্থায় পড়ে যাওয়া: কারণ ও প্রতিরোধ
গাইড | গর্ভাবস্থায় পড়ে যাওয়া: কারণ ও প্রতিরোধ
গর্ভাবস্থায় পড়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়: প্রায় 30% গর্ভবতী নারী অন্তত একবার পড়ে যান। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গুরুতর ক্ষতি হয় না, তবে পড়ে যাওয়া মা ও ভ্রূণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এই নিবন্ধে কারণ, করণীয় ও প্রতিরোধ আলোচনা করা হয়েছে।
1. কারণ
গর্ভাবস্থায় ভ্রূণকে সুরক্ষা দিতে শরীরে পরিবর্তন আসে, যার মধ্যে জরায়ুর দেয়াল পুরু হওয়া ও অ্যামনিয়োটিক তরলের কুশন তৈরি হওয়া রয়েছে। হরমোনগত পরিবর্তন হৃদ্যন্ত্র ও রক্তনালি, শ্বাসতন্ত্র, মূত্রতন্ত্র এবং পেশি-হাড়ের ব্যবস্থাকেও প্রভাবিত করে। ওজন বৃদ্ধি, পেশির শক্তি কমে যাওয়া ও নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণের অবনতি শরীরের ভারসাম্যের কেন্দ্র বদলে দিয়ে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
ডিম্বাশয় ও প্লাসেন্টা থেকে উৎপন্ন হরমোন রিল্যাক্সিন প্রসবের প্রস্তুতিতে জয়েন্ট ও লিগামেন্ট শিথিল করে। এটি জয়েন্ট ও পায়ের স্থিতিশীলতাও কমাতে পারে।
2. পড়ে যাওয়ার পর করণীয়
সম্ভাব্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে:
মায়ের হাড় ভাঙা
ভ্রূণের মাথায় আঘাত
মা বা ভ্রূণের অভ্যন্তরীণ রক্তপাত
ভ্রূণের অবস্থান পরিবর্তন
জরায়ু বা আবরণীর ক্ষতি
বিরল ক্ষেত্রে মা বা ভ্রূণের মৃত্যু
প্রথম ত্রৈমাসিকে পড়ে গেলে সাধারণত গুরুতর জটিলতা হয় না। দ্বিতীয় বা তৃতীয় ত্রৈমাসিকে পড়ে যাওয়া, বিশেষ করে পেটে সরাসরি আঘাত লাগলে, ঝুঁকি বেশি। গর্ভাবস্থার শেষ দিকে পড়ে গেলে প্রসবসংকোচন, যোনিপথে রক্তপাত, পেটে ব্যথা বা ভ্রূণের নড়াচড়া কমে গেলে অবিলম্বে চিকিৎসা নিন।
3. ভারসাম্য রক্ষার ব্যায়াম
নিয়মিত ব্যায়ামে ভারসাম্য উন্নত, শক্তভাব ও অস্বস্তি কম এবং পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি হ্রাস পেতে পারে। গর্ভাবস্থায় ভারসাম্যের ব্যায়াম শরীরের কেন্দ্র, উরু ও নিতম্বের পেশি শক্ত করে। এসব করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন:
পেলভিক টিল্ট: শরীরের কেন্দ্র ও পেলভিক পেশি শক্ত করে।
লেগ লিফট: পিঠ, পেট ও নিতম্বের পেশি শক্ত করে।
পেছনের দিকে স্ট্রেচ: পিঠ, উরু ও পেলভিক পেশি প্রসারিত করে।
উপরের শরীর ঘোরানো: পিঠ ও শরীরের ওপরের অংশ প্রসারিত করে।
4. প্রতিরোধ
পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে:
ভেজা, পিচ্ছিল বা অসমতল পৃষ্ঠ এড়িয়ে চলুন
পিচ্ছিল-রোধী জুতা পরুন
উঁচু হিল ও ওয়েজ এড়িয়ে চলুন
সিঁড়িতে হাতল ব্যবহার করুন
বড় জিনিস বা দৃষ্টিতে বাধা দেয় এমন কিছু বহন এড়িয়ে চলুন
গল্পের উৎস:
অনলাইন থেকে সংগৃহীত