গাইড | গর্ভধারণের আগে স্বাস্থ্য: এড়িয়ে চলার 11টি বিষয়
গর্ভধারণের পরিকল্পনায় কী করা উচিত, তার পাশাপাশি কী এড়াতে হবে তাও জানা জরুরি। এই 11টি বিষয় গর্ভধারণ এবং ভবিষ্যৎ ভ্রূণের স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে:
1. অতিরিক্ত ওজন কমানো বা বাড়ানো এড়িয়ে চলুন
কম ওজন বা অতিরিক্ত ওজন ডিম্বস্ফোটনে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। স্থূলতা গর্ভপাত, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া ও জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি বাড়ায়। 18.5-27 BMI-এর পরামর্শ দেওয়া হয়।
2. অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ এড়িয়ে চলুন
মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম উপকারী, তবে তীব্র সহনশীলতা-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ হরমোন ও ডিম্বস্ফোটনে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
3. বেশি দেরি করবেন না
নারীর প্রজননক্ষমতা 20-এর দশকে সর্বোচ্চ থাকে এবং 30-এর দশকে কমে যায়; বয়স শুক্রাণুর গতিশীলতাকেও প্রভাবিত করতে পারে।
4. মাসিক বন্ধ হওয়া পর্যন্ত অ্যালকোহল বন্ধ করতে অপেক্ষা করবেন না
অ্যালকোহল ভ্রূণের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের প্রাথমিক বিকাশ এবং পুরুষের শুক্রাণুর গুণমানকে প্রভাবিত করতে পারে।
5. ধূমপান করবেন না
ধূমপান গর্ভধারণের হার কমায়, জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ ও গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায়, ডিম্বাশয়ের কার্যকারিতা ব্যাহত করে এবং শুক্রাণুর সংখ্যা ও গতিশীলতা কমায়।
6. অতিরিক্ত ভিটামিন গ্রহণ করবেন না
সাধারণত প্রতিদিন 400 মাইক্রোগ্রাম ফলিক অ্যাসিড গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়, তবে অতিরিক্ত ভিটামিন A ভ্রূণের বিকাশে ক্ষতি করতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।
7. ক্যাফেইন সীমিত রাখুন
মাঝারি মাত্রায় গ্রহণের প্রভাব সামান্য, তবে অতিরিক্ত ক্যাফেইন গর্ভধারণের হার কমাতে পারে।
8. যৌনমিলনের ঘনত্ব অবহেলা করবেন না
নিয়মিত যৌনমিলন, যেমন প্রতি দুই দিনে একবার, গর্ভধারণের হার বাড়াতে পারে।
9. পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না
চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ বন্ধ করলে মা ও ভ্রূণ বিপদের মুখে পড়তে পারে। চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে চিকিৎসার পরিকল্পনা করুন।
10. অবৈধ মাদক ব্যবহার করবেন না
গর্ভধারণের আগে উভয় সঙ্গীরই অবৈধ মাদক এড়িয়ে চলা উচিত।
11. টিকাদান অবহেলা করবেন না
গর্ভধারণের অন্তত এক মাস আগে নিশ্চিত করুন যে রুবেলা, জলবসন্ত ও হেপাটাইটিসসহ সব টিকা হালনাগাদ আছে।
এই অভ্যাসগুলো এড়িয়ে চললে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়তে এবং সুস্থ গর্ভাবস্থায় সহায়তা করতে পারে।
গাইড | গর্ভধারণের আগে স্বাস্থ্য: এড়িয়ে চলার 11টি বিষয়
গাইড | গর্ভধারণের আগে স্বাস্থ্য: এড়িয়ে চলার 11টি বিষয়
গর্ভধারণের পরিকল্পনায় কী করা উচিত, তার পাশাপাশি কী এড়াতে হবে তাও জানা জরুরি। এই 11টি বিষয় গর্ভধারণ এবং ভবিষ্যৎ ভ্রূণের স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে:
1. অতিরিক্ত ওজন কমানো বা বাড়ানো এড়িয়ে চলুন
কম ওজন বা অতিরিক্ত ওজন ডিম্বস্ফোটনে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। স্থূলতা গর্ভপাত, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া ও জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি বাড়ায়। 18.5-27 BMI-এর পরামর্শ দেওয়া হয়।
2. অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ এড়িয়ে চলুন
মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম উপকারী, তবে তীব্র সহনশীলতা-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ হরমোন ও ডিম্বস্ফোটনে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
3. বেশি দেরি করবেন না
নারীর প্রজননক্ষমতা 20-এর দশকে সর্বোচ্চ থাকে এবং 30-এর দশকে কমে যায়; বয়স শুক্রাণুর গতিশীলতাকেও প্রভাবিত করতে পারে।
4. মাসিক বন্ধ হওয়া পর্যন্ত অ্যালকোহল বন্ধ করতে অপেক্ষা করবেন না
অ্যালকোহল ভ্রূণের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের প্রাথমিক বিকাশ এবং পুরুষের শুক্রাণুর গুণমানকে প্রভাবিত করতে পারে।
5. ধূমপান করবেন না
ধূমপান গর্ভধারণের হার কমায়, জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ ও গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায়, ডিম্বাশয়ের কার্যকারিতা ব্যাহত করে এবং শুক্রাণুর সংখ্যা ও গতিশীলতা কমায়।
6. অতিরিক্ত ভিটামিন গ্রহণ করবেন না
সাধারণত প্রতিদিন 400 মাইক্রোগ্রাম ফলিক অ্যাসিড গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়, তবে অতিরিক্ত ভিটামিন A ভ্রূণের বিকাশে ক্ষতি করতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।
7. ক্যাফেইন সীমিত রাখুন
মাঝারি মাত্রায় গ্রহণের প্রভাব সামান্য, তবে অতিরিক্ত ক্যাফেইন গর্ভধারণের হার কমাতে পারে।
8. যৌনমিলনের ঘনত্ব অবহেলা করবেন না
নিয়মিত যৌনমিলন, যেমন প্রতি দুই দিনে একবার, গর্ভধারণের হার বাড়াতে পারে।
9. পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না
চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ বন্ধ করলে মা ও ভ্রূণ বিপদের মুখে পড়তে পারে। চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে চিকিৎসার পরিকল্পনা করুন।
10. অবৈধ মাদক ব্যবহার করবেন না
গর্ভধারণের আগে উভয় সঙ্গীরই অবৈধ মাদক এড়িয়ে চলা উচিত।
11. টিকাদান অবহেলা করবেন না
গর্ভধারণের অন্তত এক মাস আগে নিশ্চিত করুন যে রুবেলা, জলবসন্ত ও হেপাটাইটিসসহ সব টিকা হালনাগাদ আছে।
এই অভ্যাসগুলো এড়িয়ে চললে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়তে এবং সুস্থ গর্ভাবস্থায় সহায়তা করতে পারে।
উৎস:
অনলাইন থেকে সংগৃহীত